১০০ মিটারের একক ইভেন্ট থেকে অবসর নেয়ার দিন কিংবদন্তি বোল্টের হেরে যাওয়ায় বিশ্ব অবাক হয়েছিল। আগস্টের সেই ৭ তারিখ আমেরিকার বিতর্কিত দৌড়বিদ জাস্টিন গ্যাটলিন জামাইকান তারকাকে হারিয়ে দেন। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ তাদের এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে জানাচ্ছে, অবৈধ ড্রাগ নিয়ে দুইবার নিষিদ্ধ হওয়া গ্যাটলিন এখনো ভালো হননি। তার কোচ এবং এজেন্ট আগের মতোই অবৈধ ড্রাগের সন্ধানে তৎপর থাকেন!
টেলিগ্রাফের ওই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর নড়চড়ে বসেছে অ্যাথলেট বিশ্ব। প্রশ্ন উঠছে, বোল্টের শেষ দৌড় কি তাহলে ড্রাগের কাছেই পরাজিত হয়েছিল?
গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়ার পর বসে নেই আইএএএফ। গ্যাটলিনের কোচ মিচেল এবং এজেন্ট রবার্ট ওয়েঙ্গারের বিরুদ্ধে তদন্তের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
টেলিগ্রাফের কয়েকজন ছদ্মবেশী সাংবাদিক সম্প্রতি ফ্লোরিডায় গ্যাটলিনের অনুশীলন ক্যাম্পে যান। সেখানে গ্যাটলিনের সতীর্থ এবং কোচ ভুয়া নামের প্রেসক্রিপশন ব্যবহার করে সাংবাদিকদের কাছে অবৈধ ড্রাগ চান। বিনিময়ে তারা দুই লাখ ৫০ হাজার ইউএস ডলার দেয়ার কথা বলেন।

কোচ এবং এজেন্টের সঙ্গে এইসব কথোপকথন গোপন ক্যামেরায় ধারণ করে টেলিগ্রাফ।
গ্যাটলিনের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ওই ঘটনার পর কোচ এবং এজেন্টকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাঁচ বছর ধরে গ্যাটলিন অনুমোদিত ড্রাগ ব্যবহার করে আসছেন। এই সময়ে তিনি নিষিদ্ধ হননি।’
টেলিগ্রাফের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে কোচ মিচেল বলেন, ‘আমি কখনোই ইঙ্গিত দেইনি যে আমার বর্তমান কোনো অ্যাথলেট অবৈধ ড্রাগ ব্যবহার করে।’
এইসব বিবৃতিতে পার পাচ্ছেন না গ্যাটলিন। অ্যাথলটেদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, ‘যে অভিযোগ উঠেছে তা গুরুত্বর। গ্যাটলিন শেষ কয়েক বছরে কী করেছেন তা আরও নিখুঁতভাবে তদন্তের ব্যবস্থা করা হবে।’







