অবশেষে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কাছে রাসায়নিক হামলার স্থল পরিদর্শন করেছেন আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা।
স্থানীয় সময় ৭ এপ্রিল হওয়া হামলাটি আন্তর্জাতিক সংকটের জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মিলিত বাহিনীর জবাবি বিমান হামলার ঘটনাও ঘটেছে গত ১৪ এপ্রিল।
তারও এক সপ্তাহ পর দুমা শহর অনুসন্ধান করতে গেল অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রহিবিশন অব কেমিক্যাল উইপনস (ওপিসিডব্লিউ)-এর একটি বিশেষজ্ঞ দল।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওপিসিডব্লিউ জানিয়েছে, দলটি বোমা হামলার শিকার দুমার দু’টি ঘটনাস্থলের একটি পরিদর্শন করে সেখান থেকে নমুনাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সংগ্রহ করেছে।
নমুনাগুলো হেগের রাইজওয়াইকে অবস্থিত ওপিসিডব্লি ‘র গবেষণাগারে পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সেখানে সেগুলো বিশ্লেষণ করে চিহ্নিত করা হবে।
দামেস্কের কাছে বিদ্রোহীদের শক্তিশালী ঘাঁটি দুমায় গত ৭ এপ্রিল সন্দেহজনক রাসায়নিক হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়। গুরুতর আহত হয় আরও শতাধিক।
ওই এলাকায় কর্মরত উদ্ধারকারী দল এ হামলার তথ্যটি নিশ্চিত করে বলে জানায় বিবিসি। সিরিয়ার যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় স্বেচ্ছাসেবী ত্রাণ সংস্থাটি দ্য হোয়াইট হেলমেটস জানায়, নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
বর্তমানে দুমা সিরিয়া ও তার মিত্রপক্ষ রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে আছে। সেখানে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা অস্বীকার করছে দেশ দু’টি।
সন্দেহজনক মারাত্মক রাসায়নিক হামলা এবং এরপর প্রতিক্রিয়ায় সিরিয়া সরকারের রাসায়নিক অস্ত্র গুদাম হিসেবে টার্গেট করে মার্কিন জোটের বিমান হামলার মতো বড় বড় ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরও ঘটনাস্থলে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের এত বিলম্ব উপস্থিতি অনেকের মনেই ষড়যন্ত্রের আভাস জাগিয়েছে।
তবে ওপিসিডব্লিউ জানায়, ৯ জন সদস্যের দলটি দুমায় প্রবেশের অনুমতি পাবার জন্য প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দামেস্কে অপেক্ষা করছিল। সরকারের অনুমতি পাবার পর দলটি দুমার উদ্দেশে রওনা দেয়।
বুধবারই তাদের যাওয়ার কথা থাকলেও মঙ্গলবার ঘটনাস্থল দেখতে গিয়ে জাতিসংঘ রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট টিম সেখানে গোলাগুলির শিকার হলে ওপিসিডব্লিউ’র দলটির যাওয়া পিছিয়ে যায়।








