চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
    https://www.youtube.com/live/h-ky_b3Cahg?si=O8Bjm81N2TnW8r_E
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

‘অপারেশন হাসিনা খেদাও’ প্রসঙ্গ

হিলাল ফয়েজীহিলাল ফয়েজী
৯:২৭ অপরাহ্ণ ২৩, এপ্রিল ২০১৬
মতামত
A A

শুরুতেই বলে রাখি, রহস্য করার রুচি নেই, অ. হা. খে মানে ‘অপারেশন হাসিনা খেদাও’। এই প্রকল্পটি অনেককাল ধরে চলে আসছে। তাঁর জনকের ওপরও প্রবল জেদ ছিল দেশ-বিদেশের অনেকের। জগতের অনেকের অনেক হিসাবকে তিনি উল্টে দিয়েছিলেন সাহসের পাগলপারা তরঙ্গে। ওয়াশিংটন থেকে ঢাকা সেনাদূর্গ- সবাই মিলে মিশে একদিন চরম আঘাত হানলো বত্রিশে। সপরিবার হত্যাকাণ্ড। নির্মম। নিষ্ঠুর। রোমহর্ষক। এমনকি শিশু রাসেলকেও। না, হুজুগে কাজটি হয়নি। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সামান্য চিহ্নও যদি থাকে, তাহলে তা পুনরায় বলবান হয়ে মূল রাজনীতির ধারক বাহক হয়ে যেতে বাধ্য। প্রমান? বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা সে রাতে দেশের বাইরে। অতএব বেঁচে যাওয়া। সে অর্থে রাজনীতির হাল ধরার জন্য জনক তাকে মনোনীত বা প্রস্তুত করেননি। জনকের শাহাদাতের ছয় বছর পরে ত্রিশোর্ধ কন্যাটি এসে যে পুনরায় প্রতিপক্ষের সব হিসাবকে উল্টে পাল্টে দিয়ে এমন শক্তিশালী অবস্থানে উপনীত হবেন, এটা ভাবা যায়নি।

আসলে, এ পৃথিবীতে কোন রাজনীতির ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা ভাবতে পেরেছিলেন যে ২৫ মার্চ ১৯৭১-এর ভয়ংকর রাত থেকে ২৬ মার্চ ১৯৭১-এ স্বাধীনতার রাঙা সূর্য বাংলাদেশকে আলোয় আলোয় ভরে দেবে ইতিহাস ভুবনে? কেউ ভেবেছিলেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ঘটবে ১৬ ডিসেম্বর, একাত্তরে, সমগ্র পৃথিবীকে নানারূপে তোলপাড় করে? না, মুজিব-ইয়াহিয়া-ইন্দিরা-নিক্সন-ব্রেজনেভ, কেউই সে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারেননি। স্বাধীন দেশের পক্ষে নিম্নবর্গীয়(তথাকথিত) জনগণের প্রবল উত্থানের ফলে মূলত: এমনটা ঘটেছে। সে উত্থানের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু। পরাজয় মেনে নেয়নি ওয়াশিংটনের কিসিঞ্জার চক্র। তারা ঘাতক সংগ্রহ করে, সদ্যস্বাধীন দেশের সংকটকে মূলধন করে উন্নয়নশীল দেশসমূহের আরেক মহাপ্রাণ নেতাকে সবংশে নিপাত করে দিল। তবুও সে অর্থে সফল হলো কী?

পরম ধৈর্যে-পরিবর্তিত পৃথিবীর নতুন হিসাব নিকাশে স্বদেশফেরৎ জনককন্যা শক্ত হাতে রাজনীতির হাল ধরলেন। দিল্লি থেকে ঢাকায় সেদিন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞসহ যারা জনকল্যাণে উড়িয়ে এনে ভেবেছিলেন ‘অপরিপক্ক’ মেয়েটি তাদেরই তাঁবে থাকবে, তাদের হিসাবে এমন প্রমাদ ঘটবে জানলে অমন ভুলটি তারা করতেন না। তারা বঙ্গবন্ধুকেও বুঝতে পারেননি ভালোভাবে, বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকারকেও এতটুকু বুঝতে পারেননি। সেই আন্তর্জাতিক খ্যাতিমন্ডিত আইন বিশেষজ্ঞকে এই সেদিন এক সামাজিক অনুষ্ঠানে একজন পরিচিতকে একান্তে হতাশ কণ্ঠে বলতে শুনলাম, শেখ হাসিনাতো বুঝলাম, কিন্তু তারপরে কে? তারপরে কী? সে প্রশ্নের জবাব তো জাতি আইন মহাজনের কাছেই প্রত্যাশা করছেন বহুদিন! না, তিনি পারেননি। স্বাভাবিক পথের বদলে বিদেশি মদদে বহুকাল চেষ্টা করে মনে হয় ইতোমধ্যে অস্বাভাবিক পথেও ক্ষমতার রাজদণ্ড হাতে নেবার আশা তিনি চিরতরে পরিত্যাগ করেছেন।

এভাবে হিসাব উল্টে যাবে ভাবতে পারেননি নানাবিধ জনাব-বেগমেরা কেউই। জনক কন্যা রাজনীতিতে নেমেছেন বলেই পাল্টা নামানো হলো জেনারেল বেগমকে। একই সঙ্গে শুরু হলো অ. হা. খে.(অপারেশন হাসিনা খেদাও)। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত হত্যাকারীদের দিয়ে ঠ্যাঙারে দল গঠন করে দ্বিতীয় জেনারেল চট্টগ্রামে জনককন্যাকে বধ করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছে বলে জনগণ জানে। ঐ হত্যাকারীদের প্রথম জেনারেল নানাভাবে রাষ্ট্রীয় দূত বানিয়ে ‘কৃতজ্ঞতা’ প্রকাশ করেছিল। তারপর? কতোবার কতোভাবে যে ‘অ. হা. খে’ সফল করার কতোরকম দেশ-বিদেশের কুটিল জাল। কোটালিপাড়ার সেই ভয়ংকর বোমা বিস্ফোরিত হলে শুধু জনক কন্যা নন, সে অঞ্চলে সব মাটি তামা তামা হয়ে যেত শুনেছি। তারপর? শুরু হলো ছায়ানট, উদীচী, পল্টনে কমিউনিস্ট জনসভাসহ একের পর এক আঘাত। ২০০৪ সনের ২১ আগস্ট তো আশ্চর্যজনক রক্ষা পেলেন জনক কন্যা। এসবের পেছনে কে এবং কারা? এটি হিসাব করতে বেগ পেতে হয়না।

বিংশ শতাব্দীর আশির দশকে বিলেত থেকে এক দেশি সাহেব আবির্ভূত হলেন অনেক উচ্চাশা-উচ্চাভিলাষ স্যুটের পকেটে করে। স্মার্ট, ড্যাশিং, চৌকশ। এসেই বাজার মাত। জেনারেলের শাসনের বিরুদ্ধে সুপার ঝলকমাখা সাংবাদিকতা। মঈন-মিলার পরকীয়া যৌনতা মাখা সুড়সুড়ি রাজনীতির নবস্বাদে তরুণ-মধ্যবিত্তকে মাতোয়ারা করে দেয়া। চমকের পর চমক। দিন যায়, যায় দিন। কী যে জনপ্রিয়তা। আমরা যারা বোকা, দেশজ, হাবা গোবা, গাব্দাগোব্দা- আমাদের কেমন যেন হ্যামিলনের বংশীবাদকের মতো ভুলিয়ে ভালিয়ে কোথা যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের এক ভোজবাজী সাংবাদিকতার রেসিপি-ডিশ নিয়ে নবহিরো তিনি।

এই চৌকশ ভায়াটির পিতা ছিলেন একজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, দার্শনিক, ব্যতিক্রমী। বঙ্গবন্ধু তাঁর শিক্ষকদের পরম শ্রদ্ধা করতেন, ঐ শিক্ষকের আদেশ-উপদেশ এবং নানাবিধ ন্যায্য তদবির বঙ্গবন্ধু রক্ষা করতেন সযত্নে। বঙ্গবন্ধু ক্ষমতায়। তাঁর শ্রদ্ধেয় শিক্ষক একদিন তিড়িং বিড়িং পুত্রটিকে বঙ্গবন্ধু সমক্ষে নিয়ে বললেন, তোমার হাতে দিলেম। তুমি ওকে ঠিকঠাক করে তোমার পাশে রাখো। অর্থাৎ চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট পুত্রটিকে বঙ্গবন্ধু যেন মন্ত্রিসভায় ‘প্রতি-উপ’ কোন না কোনভাবে ক্ষমতায়িত করেন। বঙ্গবন্ধু বোধহয় লন্ডনে স্বীয় সূত্রে ঐ শিক্ষকপুত্রের নানাবিধ কীর্তি কাহিনীর কথা জেনে শ্রদ্ধেয় শিক্ষকের কথা রাখতে পারেননি।

Reneta

তারপর? আশির দশকের শেষভাগে বঙ্গবন্ধু কন্যা সমক্ষে হাজির হয়ে দুর্দান্ত প্রগলভ সাংবাদিকে পরিণত হওয়া ব্যক্তিটি শেখ হাসিনার ক্ষমতাসীন হওয়ার সম্ভাবনায় নানাবিধ উপদেশ বিতরণ করতে গিয়ে অহম আহত হলেন প্রত্যুত্তরে। সেই থেকে তিনি শুধু নন, ‘আলোকিত’ অন্যান্য প্রবরেরাও বলাবলি শুরু করলেন, শেখ হাসিনা গুণী লোককে সম্মান দিতে জানেননা। কিন্তু আহা, বিপরীতে খালেদার সুবচনের সে কী বাহার! এতো সম্মান দেন, ভাবাই যায়না। একই সাথে আওয়ামী ভুবন থেকে ক্রমঃনিষ্ক্রান্ত হতে থাকলেন রাজনীতির ‘অকেজো মাল’ আন্তর্জাতিক আইন-ফাইন ব্যক্তিটি।

রাজনীতির এক দুর্বোধ্য দেশি-বিদেশি খেলায় বিস্ময়করভাবে ১৯৯১ সনের সংসদীয় নির্বাচনে বিপুলভাবে পরাজিত হলেন জনক কন্যা। সাত সাগর তেপান্তরের পশ্চিম, প্রবল প্রতাপের প্রতিবেশী, স্বীয় দলের বিভীষণ মিলে মিশে এই কান্ড ঘটানো। হাসিনা বললেন, ‘সূক্ষ্ম কারচুপি’। কেউ পাত্তা দিলেননা। এরপর হাসিনা-দূর্গে প্রবল আঘাত হানার লক্ষ্যে দেশ-বিদেশের ব্যাকুলতা ও মদদে আন্তর্জাতিক আইন পন্ডিত আওয়ামী লীগ ভেঙ্গে, মধ্য এবং বাম মার্কা একদলকে নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠন করতে ‘অ.হা.খে’ প্রকল্পকে মজবুত করতে চাইলেন। জেনারেল পত্নীর  সঙ্গে গোপন শলা করলেন। ‘মাল’ নিলেন। তখন জনক কন্যার প্রবল পরীক্ষা। এই আঘাত তিনি সামলালেন কঠিন রাজনৈতিক কৌশল, ধৈর্যসহকারে আর প্রজ্ঞায়। দিল্লিশ্বর যিনি এখন, জনক কন্যার অভিভাবকসম, সেই বাঙালি মুখোপাধ্যায় পর্যন্ত আন্তর্জাতিক আইন-জাঁদরেলের পশ্চাতে ছিলেন। কিন্তু অচিরেই ফ্লপ করলো ঐ ‘গণফোরাম ফিলিম’ খানি। এরই মাঝে বারোটা বেজে গেছে বাম মহলের ধ্বস্ত-বিধ্বস্ত একদল নিবেদিত নেতা-কর্মীর দেশ জুড়ে। ঐ ‘গণফোরাম ফিলিম’ খানি তৈরির সময়ে প্রেসবিজ্ঞপ্তিসহ নানা দেশি-বিদেশি পত্রের মুসাবিদা তৈরির সকল ‘মুছিবত’ হাসিমুখে সামলালেন আইন-পন্ডিত বন্ধুর পেয়ারের ইয়ার এই চৌকশ সাংবাদিক প্রবরটি। তারপরই সব লজ্জা-শরম-আব্রু ভেঙে তিনি ম্যাডাম মহলের একান্ত পেয়ারা রাজনৈতিক ‘প্লেবয়’ হয়ে গেলেন।

যে রাজাকার আলবদরের বিরুদ্ধে তার ‘যায় যায় দিন’ আর ‘মৌচাকে ঢিল’ পত্রিকা মোক্ষম প্রচার চালাতেন, সেই তাদের সঙ্গে ম্যাডাম মহলের রাজনীতির ‘পরাগায়নে’ আহা, কী যে উদ্যম উদ্যোগ তার। ঐ মহলের ভেরেন্ডা বুদ্ধিজীবী তিনি। জ্ঞান চর্চা। জ্ঞান বিতরণ। বুদ্ধি বেবুশ্যেগিরি। উদ্দেশ্য এক: এদেশের অর্থ উজির হবোই হবো, ম্যাডাম দরবারে তাই হাজির নাজির। উদ্দেশ্য দুই: ঐ ‘বেয়াদব’ মেয়েটিকে দেবো মোক্ষম শিক্ষা। আমার অহম আহত করেছে? মজাটা বুঝবে মেয়ে! তোমার বাবা এবং তুমি আমার কদর বেঝোনি! এবার আলবদর মহল দিয়ে ঠ্যাঙাবো তোমাকে!

এরপরতো এলো আরেক খেল। হাসিনার বদলে খালেদা নয়, কিংবা খালেদার বদলে হাসিনা নয়, দু’জনকেই দাও বিদায়। বাজারে আসবেন শান্তি পায়রার নেতৃত্বে সুশীল অমল ধবল পাল। এলো জরুরি অবস্থা। চৌকস মারলো প্রথম সুযোগেই দৌড়। ধরা পড়লো তখনকার জিয়া বিমানবন্দরে। তারপর তার জীবনের তেমন খবর রাখিনি। ২০০৮ সনে দেশের জনগণের চাওয়ার কাছে বিদেশিদের অনিচ্ছুকভাবে মেনে নেয়ার পরিস্থিতিকে তিতা হাসিনাকেই মেনে নিলো আপাততঃ তিতা মিতা সবাই। তবে ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ এই ব্যাপারটি বেশিদিন মেনে নিলোনা।

তখনই শুরু হলো বড় মহাজনের দেনদরবার। গভীর সমুদ্রবন্দর আমাদের দাও। নচেৎ। এই নচেতে তারা এমন চেতে উঠলো যে ম্যাডাম এবং স্মার্টমহল ফিরে পেল নব প্রাণ। তখন অধ্যাপক মজিনা রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে সুশীল-সম্পাদক-শান্তিপায়রা-অর্থনীতি গবেষক-ম্যাডামের বিশেষজ্ঞ পারিষদ-আজকের আলোচ্য চৌকশ রেহমানসহ শুরু হলো এক বৃহৎ, বৃহত্তর আর বৃহত্তম ষড়যন্ত্র বিন্যাস। সেই যুদ্ধ চলছে। সেই যুদ্ধ চলবেই।এই যুদ্ধে জনক কন্যা মহলের সব কৌশল, সব বুদ্ধি, সব কূটনীতি যে সঠিক তা কেউ বলবে না। জনক কন্যার আমলের উন্নয়নের তোড়ে সব জঞ্জাল ভাসিয়ে দেবার বুদ্ধিটিও যে পর্যাপ্ত নয়, তা পরিষ্কার। যুদ্ধের কৌশলে নারায়ণগঞ্জের ওসমানী-জমিদারী যে মূলনীতিকেই বিপন্ন করে তুলছে তা কে কাকে বোঝাবে! তদুপরি জনক কন্যার উত্তরাধিকার সন্তানটির রাজনৈতিক উপদেষ্টা-বিবৃতিদাতাদের অকাল কুষ্মান্ডপনা নিয়েও নানা প্রশ্ন। এদিকে উন্নয়নের অনুষঙ্গ দুর্বৃত্তায়ন-লুণ্ঠনও চলছে দেদারসে। তবে আগ্নেয়গিরির ওপর অবস্থান করা জনক কন্যার সরকারটি ছাই হয়ে গেলে বাংলাদেশের যে বাকিস্তান হবার বাকি কাজটুকুও সম্পূর্ণ ও সম্পন্ন হয়ে যাবে, তাতে সন্দেহ আছে কী?

ম্যাডাম মহল আলবদরীদের সাথে নিয়ে ২০১৪ সনের নির্বাচন ঠেকাতে কী না করলো! মাঝে চুপচাপ ছিল। ২০১৫ সনে হঠাৎ আগুন-সন্ত্রাসের মতো নারকীয় পদক্ষেপ নিলো! এখনো মোটামুটি চুপচাপ। কিন্তু লন্ডনী উৎপাত কেন্দ্র আর ইসলামীবাদীয় সামরিক গোয়েন্দা সন্ত্রাস কেন্দ্র পরবর্তী আঘাতের ছক কষছে।এমনি সময়ে জনক কন্যার পুত্রকে অপহরণ-হত্যা করে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে ক্ষমতার বাইরে রাখা এবং হাসিনাকে মোক্ষম মানসিক আঘাত হানার একটি চক্রান্তের কথা মার্কিন দেশে সিসিম ফাঁক হয়েছে বছর কয়েক আগে। সেই ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার ষড়যন্ত্র আর মন্ত্রণার দুই বাঘা সাংবাদিকের ‘সাংঘাতিক’ ভূমিকার কথা জানা গেছে। একজন আগেই গরাদে। আরেকজন একাশি বছর বয়সে রিমান্ডে।

উঠে গেছে মানবাধিকারের ঝড়। একদিন খালেদা আমলে র‌্যাব কর্তৃক মানবাধিকার লংঘনের সপক্ষে এই একাশি রেহমান সে কী প্রচারে মেতে উঠেছিল। এখন কোন কায়দায় ছদ্ম পরিচয়ের কৌশলে ‘লাল গোলাপ’ মার্কা, ‘ভালোবাসা দিবসের’ বিটকেলে জনকের মানবাধিকার নিয়ে চলছে কৃত্রিম ক্রন্দন লহরী! জানিনা ম্যাডামের উগ্র-ইসলামী ব্রাদারেরা লাল গোলাপ ওয়ালার ‘ভালোবাসা দিবস’ প্রকল্প সম্পর্কে কী অনুভব করেন!

সবশেষে ‘অ. হা. খে’ চলছে, ‘অ. হা. খে’ চলবেই। এক রেহমান যাবে, অন্য কেউ বহমান হবে। জনক-কন্যাও ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইবে। আইন-পন্ডিত, সবজান্তা মান্না ভজহরি, নানা প্রকারের ‘গণতন্ত্র’ উদ্বেগ-ঢেঁকুর ওয়ালারাও ‘অ. হা. খে’ প্রকল্প সফল করে তুলতে নানা নীতি-মানবিকতা ইত্যাদি ছলে নিত্য সচল থাকবেই নানা মদদে।

তবে একাশি বছরে রিমান্ডে যাবার ‘চৌকশপনার’ ওই পরিণতি হবে, এমনটা তার অতিশ্রদ্ধেয় অধ্যাপক দার্শনিক পিতা নিশ্চয়ই ভুলেও ‘দর্শন’ করতে পারেননি জীবদ্দশায়। 
(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: মতামত
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

‘যুক্তরাষ্ট্রের সাথে করা বাণিজ্য চুক্তি আপাতত বাতিল নয়’

এপ্রিল ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আটক সাবেক মার্কিন সামরিক সদস্য

এপ্রিল ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি

এপ্রিল ২১, ২০২৬

৬০ দিনের বিএনপি সরকারের সামনে ‘অন্যরকম চ্যালেঞ্জ’

এপ্রিল ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমার শেষ দিন আজ

এপ্রিল ২১, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT