অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বিখ্যাত সার্জন ডেভিড ইয়াংয়ের অধীনে ক্রিকেটার নাসির হোসেনের হাঁটুতে সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। হাঁটুর এসিএল ও বিসিএল লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় দুটি অস্ত্রোপচার দরকার পড়ে। বিসিবি চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী শনিবার চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, একই সঙ্গে দুটি অস্ত্রোপচার হওয়ায় সময় লাগে সাড়ে তিন ঘণ্টা।
শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ইয়াংয়ের অ্যাপয়েনমেন্ট পান নাসির। তার বরাত দিয়ে দেবাশীষ চৌধুরী জানান, ‘পুরোপুরি ফিট হতে লেগে যাবে ৬ মাসেরও বেশি। রোববার নাগাদ মেলবোর্নের সিরজে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হতে পারে। তবে অপারেশনে অনেক বেশি সময় লাগায় আরও কয়েকদিন হাসপাতালে থাকতেও বলতে পারেন। আমরা ১৪ তারিখ দেশে ফেরার টিকিট করে রেখেছে।’
ডাক্তার দেবাশীষ জানান, দেশে ফেরার পর প্রথম তিন সপ্তাহ বিশ্রামে কাটাতে হবে নাসিরকে। এরপর ধাপে ধাপে শুরু হবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মূল কাজ।
অস্ত্রোপচারের জন্য ২৮ মে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন ২৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। শল্যবিদ ইয়াংকে পেতে ১০ দিন অপেক্ষা করতে হয় নাসিরকে।
অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ আছেন, এমনটা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভক্তদের উদ্দেশ্যে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছেন নাসির। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ্,আপনাদের সবার দোয়ায় সফলভাবে অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।’
গত ৮ এপ্রিল ফুটবল খেলতে গিয়ে নাসিরের হাঁটুর দুটি লিগামেন্ট (এসিএল) ছিঁড়ে যায়। যার মধ্যে এসিএল লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনা ক্রিকেটে খুবই কম। সাধারণত ফুটবলার, হকি ও বাস্কেটবল খেলোয়াড়রা এসিএল লিগামেন্টের ইনজুরিতে পড়েন। মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার পর টাইগারদের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এমন ইনজুরিতে পড়েন নাসির। মাশরাফীর অস্ত্রোপচারও হয়েছিল ইয়াংয়ের অধীনে।







