সন্ত্রাসীরা যে দলেরই হউক না কেনো তাকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সেরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
বন্দুক যুদ্ধে একই রাতে দুই ছাত্রলীগ কর্মী মারা যাওয়ার ঘটনা নিয়ে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। সোনারগাঁ হোটেলে ডিএফআইডি এবং গিজ আয়োজিত বিচার ব্যবস্থা নিয়ে সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
ক্রসফায়ারের শিকার হওয়ার ঘটনা সঠিক নয় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী র্যাব ও পুলিশের বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে বলেন, র্যাব, পুলিশ বলছে বন্দুকযুদ্ধ। তবে হাজারীবাগের ঘটনার ব্যপারে পরে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, অপরাধীদের ছাড় না দেয়ার বিষয়ে আগেই ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার অঙ্গিকার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা কাউকে ছাড় দেবো না। সে ছাত্রলীগ করুক বা ছাত্রদল করুক। কিংবা অন্য কোন দল করুক।
রাজধানীর হাজারীবাগে এবং মাগুরায় র্যাব-পুলিশের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে সোমবার রাতে মারা যান হাজারীবাগ ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়া এবং মাগুরা ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান ওরফে আজিবর শেখ। এরপরের রাতে কুষ্টিয়ায় ডিবি পুলিশের বন্দুক যুদ্ধে মারা যান যুবলীগ কর্মী সবুজ হত্যা মামলার আসামী জাকির হোসেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন। তিনি বলেন, সুশাসন ও আইনের শাসনই সবাইকে ন্যায় বিচার পাওয়ার বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখবে। তবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় যে প্রতিবন্ধকতা গুলো রয়েছে তা দূর করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।







