নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে প্রত্যাশিত লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের তৃতীয় দিনটি দারুণ কাটিয়েছে টিম টাইগার্স। লিটন-মুমিনুলে আরও বড় প্রাপ্তির অপেক্ষা ছিল। কিন্তু সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে তাদের বিদায় আক্ষেপে পুড়িয়েছে।
অধিনায়ক মুমিনুল হক ৮৮ ও লিটন দাস ৮৬ রানে সাজঘরে ফিরে যান। দুজনই কিউই পেসার ট্রেন্ট বোল্টের শিকার। তার আগে মাহমুদুল হাসান জয় সেঞ্চুরি আশা জাগিয়ে আউট হন ৭৮ রানে। ওয়াগনারের তৃতীয় শিকার হন টাইগার ওপেনার।
সেঞ্চুরির আনন্দদায়ী অনুভূতিটা পেলেন না তিনজনের কেউই। তিন ব্যাটারের সেঞ্চুরির সুযোগ হাতছাড়া করার পর ইয়াসির আলি রাব্বি ও মেহেদী হাসান মিরাজ শেষ বিকেলে বিপদে পড়তে দেননি বাংলাদেশকে।
মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৪০১ রান। লিড ৭৩ রানের। অবিচ্ছিন্ন সপ্তম উইকেট জুটি থেকে এসেছে ৩১ রান। মিরাজ ২০ ও ইয়াসির ১১ রানে অপরাজিত।
নিউজিল্যান্ডকে ৩২৮ রানে অলআউট করে আগেরদিন ২ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। ৭০ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করা জয় ৮ রান যোগ করে ফেরেন সাজঘরে। ২২৮ বলে ৭৮ রান করেন ৭ বাউন্ডারিতে।
মুশফিকুর রহিম টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। দলীয় সংগ্রহ দুইশ পেরোনোর পর বোল্টের বলে বোল্ড হন। মি. ডিপেন্ডেবল ৫৩ বলের ইনিংসে চার মারেন একটি।
২০৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর লিডের আশা যখন কমে আসে তখনই লিটনকে নিয়ে বড় জুটি গড়েন মুমিনুল। পঞ্চম উইকেট জুটি ভাঙে সাড়ে তিনশ পেরিয়ে। ১৫৮ রানের যুগলবন্দিতে লিড পায় বাংলাদেশ।
প্রথমে আউট হন মুমিনুল। অধিনায়ক ৮৮ রানের ইনিংসটি খেলেন ২৪৪ বলে ১২টি চারে। কিছুক্ষণ পরই বোল্টের অফস্টাম্পের অনেক বাইরের বলে অযথা ব্যাট চালাতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন লিটন। ৮৬ রানে বিলিয়ে আসেন নিজেকে। তার ১৭৭ বলের ইনিংসে চারের মার ১০টি।







