এলাম, দেখলাম জয় করলাম। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজের টেস্ট আঙ্গিনায় পা রাখাটা এমনই রাজসিক।
চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে প্রথম দিনই পাঁচ উইকেট তুলে আগমন বার্তা জানিয়েছিলেন এই অলরাউন্ডার। পরের ইনিংসে আরো এক উইকেট। আর ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে ছয় উইকেটসহ দুই ইনিংসে নিয়েছেন ১২ উইকেট। তার স্পিনের নীল বিষে কুপোকাত ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা।
রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর মিরাজ বলেন, ‘আসলে আমার মানসিকতা এমন ছিল যখন সুযোগ পাব, তখন যেন ভালো কিছু করতে পারি। যখন সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারবো তখন আরও বড় সুযোগ চলে আসবে। তাই আমি সবসময়য় নিজেকে তৈরি রেখেছি। আমাকে যখনই ডাকুক আমি যেন ভালো খেলতে পারি।’
মিরাজের অসাধারণ অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ যুব দল ২০১৬ আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে সেমি ফাইনালে উঠে। উত্তেজনাপূর্ণ সেই সেমিফাইনালে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৩ উইকেটে পরাজিত হয়।
তৃতীয় হওয়ার প্লে-অফে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে পরাজিত করে তৃতীয় স্থান অধিকার করে বাংলাদেশ।
অসাধারণ অলরাউন্ড নৈপুণ্যে মিরাজ ম্যান অব দ্য টুর্নানামেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি ৬ ম্যাচে ব্যাট হাতে ২৪২ রান এবং বল হাতে ১২ উইকেট লাভ করেন।
মেহেদি হাসান মিরাজ ২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেন। অভিষেক ম্যাচে তিনি ৫১ রান সংগ্রহের পাশাপাশি বল হাতে নেন ৪ উইকেট।








