সমালোচনার মুখে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারা বিলুপ্ত করার উদ্যোগ নেয় সরকার। তবে প্রস্তাবিত নতুন আইনের খসড়ায় দেখা যায় বিতর্কিত ৫৭ ধারার অপরাধগুলোকেই ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’– ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে চারটি ধারায় ৫৭ ধারার অপরাধগুলো ভাগ করে রাখা হয়েছে।
তবে এই আইনের ৩২ ধারা নিয়েই বিতর্ক হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এই ধারায় ডিজিটাল অপরাধের বদলে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য সাজা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে- কোনো সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ঢুকে কেউ কোনো কিছু রেকর্ড করলে তা গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হবে। এর জন্য ১৪ বছরের জেল এবং ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
এর প্রতিবাদেই সোচ্চার হয়েছেন অনেকে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে সমালোচনার ঝড়।
এই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেসসচিব আশরাফুল আলম খোকন। তিনি লিখেছেন: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আর গুপ্তচরবৃত্তি কিন্তু এক না। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করে দুর্নীতি অনিয়ম বের করে নিয়ে আশা আর গুপ্তচরবৃত্তিগিরি করে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট গোপনীয় তথ্য বাইরে বিক্রি করা সম্পূর্ণই আলাদা বিষয়।
তিনি লিখেছেন: নতুন আইনে শেষের বিষয়টিকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে নয়। আপনিই ভালো বুঝবেন আপনি কোন শ্রেণীর মধ্যে পরেন।
তিনি আরো লিখেছেন: ৩২ ধারায় – “বেআইনি প্রবেশের মাধ্যমে ………..অতিগোপনীয় বা অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য” বলতে রাষ্ট্রের গোপনীয় বিষয়গুলোকেই বুঝানো হয়েছে।যেই তথ্য জনসম্মুখে আনা বা দেশবিরোধী বিদেশী চক্রের হাতে তুলে দেয়ার অধিকার কোনো রাষ্ট্রই কাউকে দেয়নি।









