বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের যেনো এক যোগ্য অধিনায়কের নাম মাশরাফি বিন মতুর্জা। মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে যেন একটাই ভাষা- মাশরাফি। যতো দিন যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে মহানায়ক হয়ে উঠছেন ম্যাশ।
ডাগ আউট থেকে সতীর্থদের একের পর এক সাজঘরে ফেরা দেখেছেন মাশরাফি। দলের বিপর্যয়ে যখন মাঠে নামলেন তখন রান ১৬৯, অপর প্রান্তে ক্রিজে প্রত্যাশার চাপ নিয়ে দলে ফেরা নাসির। সেখান থেকে নাসিরকে নিয়ে নতুন করে শুরু করলেন অধিনায়ক ম্যাশ। নাসিরকে নিয়ে গড়েন ৬৯ রানের মূল্যবান জুটি। নাসির খেলেন ২৭ বলে ২৭ রানের একটি অপরাজিত ইনিংস। মূলত মাশরাফির ২৯ বলে দুটি চার ও তিনটি ছয়ে ৪৪ রানের সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভারে আট উইকেটে ২৩৮ রান করে বাংলাদেশ।
এরপরও থেমে থাকেননি ম্যাশ, বল হাতে ইংলিশদের বধ করার রণ পরিকল্পনাও শুরু করলেন তিনি। ইংলিশদের ২৬ রানে চার উইকেট নেই, এর মধ্যে তিনটিই মাশরাফির শিকার। তিনি একাই ইংলিশদের টুঁটি চেপে ধরেন।
ইংলিশ ইনিংসে প্রথম আঘাত হানেন মাশরাফি বিন মতুর্জা। দলীয় ১২ রানে জিমস ভিঞ্চকে মোসাদ্দেকের তালুবন্দী করেন ম্যাশ। জ্বলে উঠার আগেই জেসন রয়কে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। সোজা বলে খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন রয় (১৩)। আগের ম্যাচে শতক করা বেন স্টোকসকে রানের খাতাই খুলতে দেননি মাশরাফি।
শেষ উইকেটে যখন আদিল রশীদ আর জ্যাক বল ৪৫ রানের জুটি গড়ে টাইগারদের জয় ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় ব্যস্ত, তখন আবার ম্যাশের উত্থান। ডিপ কাভার বাউন্ডারীতে নাসিরের কাছে তালুবন্দী শেষ ব্যাটসম্যান জ্যাক বল।
শুধু তাই নয় বাংলাদেশের জন্য পথের কাঁটা হয়ে ওঠা বাটলারের (৫৭) আউটের জন্য অধিনায়ক মাশরাফিকেও কৃতিত্ব দিতে হবে। ঠিক সময়েই রিভিউর সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন। আজ ব্যাটিং, বোলিং, অধিনায়কত্ব – সব দিকেই দশে দশ পাবেন মাশরাফি।
সত্যিই তাই ম্যাচ শেষে অঘোষিত ম্যাচ সেরা মাশরাফি। মাশরাফির ম্যাসাকারেই সমতায় ফিরল বাংলাদেশ।







