অপ্রয়োজনীয় রিভার্স সুইপ খেলার চেষ্টায় অদ্ভুতভাবে বোল্ড হলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। রবীন্দ্র জাদেজাকে উইকেট দেয়ার আগে বাংলাদেশ অধিনায়ক করেন ১৯ রান। ৩৭ বলের ইনিংসে চারের মার দুটি। একশর আগে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে রয়েছে সফরকারী দল। ফিরে গেছেন সাদমান ইসলাম-লিটন দাসও।
সাদমান ইসলাম ১০ চারে ১০০ বল খেলে ফিফটি পূর্ণ করেন। আকাশ দীপের পরে বলেই দেন উইকেট। ৯৩ রানে ৫ উইকেট নেই তখন। ৯৪ রান হতে নেই ৬ উইকেট। লিটন তখন জাদেজার বলে পান্টের গ্লাভসে ক্যাচ দেন। বাংলাদেশের লিড মোটে ৪২ রানের।
দিনের প্রথম বলেই সুইপ করতে গিয়ে ব্যাটের নাগাল পাননি মুমিনুল হক। পরে লেগ স্টাম্পের বাইরের বলে আবারও করেন একই কাজ। ব্যাট ছুঁয়ে বল জমা পড়ে লেগ স্লিপ ফিল্ডার লোকেশ রাহুলের হাতে। প্রথম ইনিংসের অপরাজিত সেঞ্চুরিয়ান ফিরে যান ২ রান করে। কানপুর টেস্টের পঞ্চম দিনের শুরুতে উইকেট হারানোয় বিপদ বাড়ে বাংলাদেশের। সেই বিপদ বড় হয়েছে ক্রমেই।
৫২ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিং শুরু করা বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৯৪ রান।
ম্যাচের প্রথমদিন ৩৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১০৭ রান তোলার পর খেলা বন্ধ হয়েছিল। বৈরি আবহাওয়া ও দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে খেলা শুরুর অপেক্ষা কেবল বাড়তে থাকে। প্রায় আড়াই দিন পর ম্যাচের চতুর্থ দিনে খেলার উপযোগী হয় মাঠ।
মুমিনুলের অপরাজিত সেঞ্চুরির (১০৭*) পরও বাংলাদেশকে ২৩৩ রানে থামিয়ে দেয় টিম ইন্ডিয়া। পরে স্বাগতিকরা শুরু করে টি-টুয়েন্টি স্টাইলে ব্যাটিং।
১০ ওভারে চলে আসে ৯৯ রান। ৩৪.৪ ওভার ব্যাটিং করে ২৮৫ রানে নবম উইকেট হারানোর পর ইনিংস ঘোষণা করেন রোহিত শর্মা।







