চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

৬ মাস অতিরিক্ত সময় পেল অ্যাকর্ড

বাংলাদেশের পোশাক কারখানার নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ ভিত্তিক জোট অ্যাকর্ড এবং অ্যালায়েন্সের কার্যক্রমের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর। তবে ওই সময়ের পর অ্যালায়েন্স চলে গেলেও সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার জন্য আরও ৬ মাস সময় পেয়েছে অ্যাকর্ড।

অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের বিষয়ে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আইএলও এবং ইউনিগ্লোবালের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু এবং বিজিএমইএ ও এফবিসিসিআইয়ের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক অনিুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ইউরোপের ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ডকে এই সময় দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এসময় বাণিজ্য সচিব শুভাশিষ বসু, এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের পর বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন: বাংলাদেশে অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের কার্যক্রমের মেয়াদ শেষ হবে ২০১৮ সালের ৩১ মে। কার্যক্রম গুছিয়ে নিতে অ্যাকর্ডকে আরো ৬ মাস সময় দেয় হলো। এই সময়ে সংস্থাটির নাম থাকবে ‘ট্রানজিশনাল অ্যাকর্ড’। তবে অ্যালায়েন্স নির্ধারিত সময়ের পরই চলে যাবে বলে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে।

তিনি বলেন: অ্যালায়েন্সের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে অ্যাকর্ডের ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, আশা করি আগামী ৭ মাসের মধ্যে তারা বাকি কাজ শেষ করবে।

বিজ্ঞাপন

আগামী বছরের মে-তে কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও অ্যাকর্ড আরও তিন বছর এই পরিদর্শন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে আসছে। কিন্তু বাংলাদেশের শিল্প মালিকরা বরাবরই তাতে অসম্মতি জানিয়ে আসছে। এতে সরকারও সায় দিচ্ছে।

জোট দুটি বাংলাদেশের পোশাক কারখানা ভবনের কাঠামো, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন ও সংস্কার কাজ তদারকি করে।

তৈরি পোশাক কারখানা

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন: অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্স চলে যাওয়ার পর শ্রম মন্ত্রণালয়ের রেমিডিয়েশেন কো-অর্ডিনেশন সেল (আরসিসি) সেসব কাজের দায়িত্ব নেবে।

৭০টি সবুজ কারখানা কাজ শুরু করেছে জানিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন: আরও ২৮০টি কার্যক্রম শুরু করবে। সবুজ কারখানা তৈরি করতে কারখানাপ্রতি ৫ থেকে ২০ কোটি পর্যন্ত খরচ করছে।

শ্রমিক নেতারা কাজ করে না উল্লেখ করে তিনি বলেন: কিছু ট্রেড ইউনিয়ন আছে যাদের নেতারা কোন কারখানায় কাজ করে না। তারা সরকারকে না জানিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠনে অভিযোগ আকারে তথ্য সরবরাহ করে। এখন সিদ্ধান্ত হয়েছে, কোন অভিযোগ পেলে শ্রম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাচাই করে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

বিজ্ঞাপন