চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

২০১৯-এ দুই বিপিএল?

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই একমাস এগিয়ে অক্টোবরে বিপিএল আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সেটি আলোর মুখ দেখছে না। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বুধবার জানালেন, আগের নির্ধারিত সময়ে এবারের আসর আয়োজনের সম্ভাবনা কম।

পরিবর্তিত পরিকল্পনায় বিপিএলের ষষ্ঠ আসর পিছিয়ে ২০১৯ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে করার কথা ভাবছে আয়োজক কমিটি।

রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মল্লিক বললেন, ‘বিপিএল পেছানোটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে এটা চূড়ান্ত করতে পারবো। আমাদের সময় নির্ধারণ করা ছিল অক্টোবরে, কিন্তু নির্বাচনের ঠিক আগে ৭টি ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ৩টি ভেন্যুতে খেলার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা আমরা পাবো কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়।’

Advertisement

অনিশ্চয়তা থাকায় শঙ্কা জেগেছে বিপিএলের ষষ্ঠ আসর শেষঅবধি বাতিলের খাতাতেই যায় কিনা। মল্লিক অবশ্য সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন। বলেছেন, ২০১৯ সালে দুটি বিপিএল আয়োজনের কথা, ‘ষষ্ঠ আসর হওয়া নিয়ে আপাতত সন্দেহ নেই। কেবল সময়টা পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। অক্টোবরে না করে নির্বাচনের পরে জানুয়ারিতে শুরু করার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে।’

নতুন বছরের জানুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পূর্ব নির্ধারিত সিরিজ রয়েছে বাংলাদেশের। সেটি এগিয়ে আনতে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করবেন বলেও জানালেন মল্লিক।

নির্বাচনের আগে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকতে পারে- এমন শঙ্কাও বিপিএল পেছানোর কারণ হিসেবে ভাবছে আয়োজক কমিটি। ভারতের রাজনৈতিক কারণে ২০০৯ সালের আইপিএল আয়োজন করা হয়েছিল সাউথ আফিকায়। বিপিএলও দেশের বাইরে, তেমন কিছু করার ভাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে মল্লিক টানলেন আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা, ‘বিসিবির অর্থনৈতিক শক্তি আইপিএলের মতো না। যে খরচ বাড়বে সেটা অনেক বেশি। এমনকি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর খরচও অনেক বেড়ে যাবে।’

সবমিলিয়ে এবছর বিপিএল হওয়ার সম্ভাবনা কমই। তারপরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইতিবাচক দিক-নির্দেশনার অপেক্ষায় বিপিএল কর্তৃপক্ষ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা তাই সময় নিয়ে নিতে চায় বিসিবি।