চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাব নিয়ে ভাবছেন ভারতে আন্দোলনরত কৃষকরা

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শর্তসাপেক্ষে আলোচনা যে প্রস্তাব আন্দোলনরত কৃষকদের দিয়েছেন; তা গ্রহণ করা হবে কি না- বৈঠক করবেন তারা। রোববার টানা চতুর্থ দিনের মতো কৃষি আইন বাতিল চেয়ে দিল্লির ভেতরে ও বাইরে অবস্থান করছেন কৃষকরা। 

তবে এই আন্দোলনের মধ্যেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘নতুন আইন কৃষকদের জন্য অনেক সম্ভাবনার নতুন দ্বার খুলে দেবে।’

বিজ্ঞাপন

রোববার ‘মন কি বাত’ নামে তার নিয়মিত অনুষ্ঠান তিনি বলেন, ‘এমন কিছুর চাওয়া কৃষকদের দীর্ঘদিন ধরেই ছিলো। কিন্তু বিভিন্ন দল তার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পূরণ করেনি। এবার তা পূরণ করা হচ্ছে।’

‘‘অনেক বিবেচনার পরে, ভারতের সংসদ কৃষি সংস্কারগুলিকে একটি আইনী রূপ দিয়েছে। এই সংস্কারগুলি কেবল আমাদের কৃষকদের বেচাকেনা করাই নয়, তাদেরকে নতুন অধিকার এবং সুযোগও দিয়েছে। স্বল্প সময়েই তারা সেটা সুবিধাও পেতে শুরু করবে।’’

শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিক্ষোভকারীদের কাছে গিয়ে নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন, সরকার কৃষকদের সব ধরনের সমস্যা ও চাহিদা বিষয়ে ভাববে।

বিজ্ঞাপন

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৫০০ প্রতিষ্ঠানের একটি ‘পাঞ্চাব কিসান ইউনিয়ন’- এর প্রেসিডেন্ট রুলদু সিং বলেন, কেন্দ্রের সঙ্গে কিভাবে আলোচনায় বসা যায় সেই বিষয়ে আমরা আলোচনা করবো। আমরা তখনই তাদের সঙ্গে কথা বলবো, যদি তারা সেজন্য আমাদের আমন্ত্রণ জানায়।

দিল্লির বাইরের নারেলার কাছে সিঙ্গু সীমান্তে অবস্থান করা রুলদু বলেন, কৃষক আইন ছাড়াও তারা বিদ্যুৎ সংশোধনী বিলেরও প্রত্যাহার চায়।

আন্দোলনে হরিয়ানা ও পাঞ্জাবর কৃষকদের সমর্থনে যুক্ত হয়েছে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, মহারাষ্ট্র ও অন্ধ্র প্রদেশের কৃষকরা।

নতুন আইনে ভারতে কৃষিপণ্য বিক্রয়, মূল্য নির্ধারণ ও গুদামজাত করণের নিয়মে পরিবর্তন আসবে। যে নিয়ম ভারতের কৃষকদের গত কয়েক দশক ধরে মুক্ত বাজার থেকে রক্ষা করেছে।

কৃষকরা চাইলে যে কারও কাছে তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারবে। আগে যা কেবলমাত্র সরকার অনুমোদিত এজেন্টদের কাছেই বিক্রি করতে হতো।

নতুন আইনে কৃষকদের স্বার্থে আঘাত আসবে আশঙ্কা থেকেই বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে কৃষকরা।