চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সিলেটকে হারিয়ে উড়ন্ত ঢাকার চারে চার

চার ম্যাচে চারটিতেই জয়। শেষটি শনিবার, সিলেট সিক্সার্সকে ৩২ রানে হারিয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস। সাকিব আল হাসানের দল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানটা সুসংহত করল উড়ন্ত জয় দিয়েই। সেখানে তিন ম্যাচে এক জয় নিয়ে ওয়ার্নারের দল থাকল তলানির দিকে।

শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সাকিব আল হাসান। নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৩ রান তোলে ঢাকা ডায়নামাইটস। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেটে ১৪১ রানের বেশি এগোতে পারেনি সিলেট সিক্সার্স।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারেই ওয়ার্নারকে হারায় সিলেট। সাকিবকে ছয় মারার খানিক পরই আরেকটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকাতে যেয়ে বাউন্ডারিতে পোলার্ডের দর্শনীয় ক্যাচে পরিণত হন ডেভিড ওয়ার্নার (৭)।

তিনে নামা আফিফ হোসেন ধ্রুব (৪) শুভাগত হোমকে উড়িয়ে মারতে যেয়ে সেই পোলার্ডের তালুতেই জমেন। আরেক ওপেনার লিটন দাস (৯) সুনিল নারিনকে ওড়াতে যেয়ে শুভাগতের তালুবন্দি হন।

বেশিক্ষণ টেকেননি চোট কাটিয়ে ফিরে ফর্মের সাথে লড়াই চালিয়ে যাওয়া নাসির হোসেনও (১)। সাকিবের বলে অ্যান্ড্রু রাসেলকে ক্যাচ দেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

জাতীয় দলে নিষিদ্ধ থাকা সাব্বির রহমান খানিকক্ষণ ছিলেন ক্রিজে, রুবেলের বলে উইকেটের পেছনে সোহানকে ক্যাচ দেয়ার আগ পর্যন্ত নিজের নামের পাশে জমাতে পেরেছেন কেবল ১২ রান।

Advertisement

আর জাতীয় দলে অতীত হয়ে যাওয়া কাপালি দিতে পেরেছেন কেবল ২ রান। শেষদিকে নিকোলার পুরানের ঝড়ও শুধুমাত্র পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। এক চার আর ৯ ছয়ে ৪৭ বলে ৭২ করে নিঃসঙ্গ এক চেষ্টা চালিয়েছিলেন এ ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান।

ঢাকার হয়ে ৩ উইকেট নিয়ে সেরা রুবেল। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন সাকিব ও শুভাগত।

এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে ফিফটি পাওয়া ওপেনার হযরতউল্লাহ জাজাইকে হারিয়ে শুরু করে ঢাকা। আরেক ওপেনার সুনিল নারিনও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ডায়নামাইটসরা পৌনে দুইশর কাছে যায় মূলত রনি তালুকদারের কৃতিত্বে। ৫৮ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন টপঅর্ডারের এ ব্যাটসম্যান।

আগের ম্যাচের মতো এদিনও প্রথম ওভারেই ওপেনার জাজাইকে হারায় ঢাকা। চার বলে ৪ রান করে সোহেল তানভীরের বলে আফিফের হাতে ধরা পড়েন এ আফগান ওপেনার। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে রনিকে নিয়ে ৬৭ রান যোগ করার পর ব্যক্তিগত ২৫ রানে ফেরেন নারিন।

তখন রনির সঙ্গী হন সাকিব। দুজনে তোলেন ৩৫ রান। ৫ চার ও ৩ ছয়ে ৩৪ বলে ৫৮ রান করে ফেরেন রনি তালুকদার। যারমধ্যে আফিফ হোসেনের করা দ্বাদশ ওভারের প্রথম চার বলে এক ছয় ও তিন চারে ১৮ রান তোলার পর পঞ্চম বলে নিকোলাস পুরানের দারুণ এক ক্যাচে পরিণত হন। খানিক পরই সাকিব ফেরেন ৩ চারে ১৭ বলে ২৩ রানে।

ঢাকার ইনিংসে সেখান থেকে খানিকটা ধস নামান তাসকিন আহমেদ। পঞ্চদশ ওভারে চার বলের ব্যবধানে নিয়েছেন তিন উইকেট। টাইগার পেসারের ছোটখাটো এমন ধসের পরও শেষদিকে নুরুল হাসান সোহান ও নাঈম শেখের কল্যাণে বড় সংগ্রহই পায় ঢাকা। সোহান ১০ বলে ১৮ আর নাঈম ২৩ বলে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন।