চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সালাহর গোলও মিশরকে সান্ত্বনার জয় দিতে পারল না

প্রথম দুই ম্যাচ দুদলকেই দিয়েছে হতাশা। সেটা ভুলতে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে জয় চেয়েছিল মিশর-সৌদি আরব উভয়েই। শেষ মিনিটের গোলে হাসিটা সৌদির। তাতে তিন হারে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করেছে মোহামেদ সালাহর মিশর।

ভলগোগ্রাদ অ্যারেনায় সোমবার শুরুতে সালাহর গোলে এগিয়ে যেয়েও সৌদি আরবের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছে মিশর। সান্ত্বনার জয়ে ৩ পয়েন্টে গ্রুপে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত হয় সৌদির। মিশরের ভাগে কোনো পয়েন্টই নেই।

সালাহ দ্বিতীয় ম্যাচে গোল পেয়েছিলেন। নিজের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ম্যাচেও গোল পেলেন। ২২ মিনিটে বল ভাসিয়ে সালাহকে পাস দেন আব্দুল্লাহ এল সায়েদ। দারুণভাবে সেই বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চিতার মতো ক্ষিপ্রগতিতে দুই সৌদি ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দর্শনীয় ফিনিশিংয়ে গোল করেন মিশরের রাজাখ্যাত সালাহ।

সেই গোলের খুশিতে যখন বিরতিতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল মিশর, তখনই বিপত্তি। ৩৯ মিনিটে মিশরের আহমেদ ফাতহি হ্যান্ড বল করায় সৌদির পক্ষে পেনাল্টি দেন রেফারি। পেনাল্টি নিতে আসেন ফাহাদ আল মুয়াল্লাদ। কিন্তু তার নেয়া শট ফিরিয়ে দেন এ ম্যাচেই সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপ খেলার কীর্তি গড়া মিশর গোলরক্ষক এসাম এল-হাদারি।

বিজ্ঞাপন

এল-হাদারির সেই সুখও সয়নি বেশিক্ষণ। ৪৫ মিনিটে মুয়াল্লাদকে ফাউল করে চার মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো সৌদিকে পেনাল্টি উপহার দেন আলী গাবর। ফাউল ছিল কিনা সেটা দেখতে প্রযুক্তির সহায়তা নিতে হয়। রেফারির পক্ষেই রায় পড়ে। এবার পেনাল্টি নেন সালমান আল ফারাজ। মুয়াল্লাদের মতো হতাশায় ডুবতে হয়নি তাকে। ঠাণ্ডা মাথার শটে এসামকে পরাস্ত করে সৌদিকে সমতা এনে দেন এ ফরোয়ার্ড।

পরের ৪৫ মিনিট জয়ের জন্য দুদলই খেলেছে সমানে-সমান। ৫৪ মিনিটে সৌদির হাত্তান সুলতানের বাহেব্রির ভলি লক্ষ্যচ্যুত হয় অল্পের জন্য। ৬৪ মিনিটে আল-মোগাহউয়ির ভলিও গোলবার ছাড়া সেভাবেই।

সালাহও কম চেষ্টা করেননি মিশরকে জেতাতে। সতীর্থদের ভালো কয়েকটি রক্ষণচেরা পাস দেন। কিন্তু অন্যরা তা কাজে না লাগাতে পারেননি।

সমতাই যখন ম্যাচের ফল মনে হচ্ছিল, তখন মিশরকে হতাশা উপহার দেয় সৌদি। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে ডি-বক্সের বামপ্রান্ত থেকে কোণাকুনি শটে বল জালে জড়িয়ে দেন সালেম।

বিজ্ঞাপন