চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘সহজে জেতা যাবে’ ভাবছে না বাংলাদেশ

টন্টন থেকে: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মুখোমুখি দেখায় সবশেষ নয় ম্যাচের সাতটিতে জয়ী দলের নাম বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল তো নিজেদের ফেভারিট বলেই দাবি করছেন। প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়ক জেসন হোল্ডারও মনে করেন সেটি। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ দেখছেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

বিজ্ঞাপন

সেরাটা খেললেই কেবল জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা যাবে বলে মনে করেন টাইগার অধিনায়ক, ‘দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হয়তো এগুলো (পেছনের সাফল্য) কাজ করে। এই ধরণের টুর্নামেন্টে আপনি একেকদিন একেক দলের বিপক্ষে খেলছেন। ফলে, একইরকম মানসিকতা থাকে না। তাই এভাবেই চিন্তা করতে হবে। উইন্ডিজ দল যেকোনো ধরণের ড্যামেজ করতে পারে। আমাদের সেরাটাই খেলতে হবে। আগের ৯ ম্যাচে ৭টা জিতেছি। এর মানে এই নয় যে আমরা এখানেও সহজেই জিতে যাবো।’

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ-উইন্ডিজ ম্যাচের ভেন্যু অন্যান্য মাঠের চেয়ে ছোট। ক্যারিবীয় ব্যাটিং শক্তির সামনে টাইগার বোলারদের জন্য হয়ে উঠতে পারে চ্যালেঞ্জিং। তবে মাঠের আয়তনের ব্যাপারটি ইতিবাচক-নেতিবাচক দুটিই হতে পারে বলে মত মাশরাফীর।

‘মাঠ ছোটো হওয়াতে সুবিধা অসুবিধার কিছু নেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজ যত বড় মাঠেই খেলুক না কেনো, ওদের মিস হিটেও কোনো সময় ছয় হয়ে যায়। আমার কাছে মনে হয় এখানে ৬ হলে তো ১২ হবে না! ছয়ই কাউন্ট হবে। আমরা ইতিবাচকভাবে যেটা নিতে পারি, আমাদের ব্যাটসম্যানদের জন্যও সুবিধা কিছুটা বাড়বে। আমাদেরও এই সুযোগগুলো থাকবে। তাই এটাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি। তবে বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জটা একটু বেশি থাকবে। এক্ষেত্রে যেগুলো ফিফটি ফিফটি চান্স, এগুলো ৬ হয়ে যেতে পারে।’

‘সাধারণত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলতে গেলে বোলারদের চ্যালেঞ্জই বেশি হয়। দুই দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখা যায়। যত ইতিবাচকভাবে দেখা যায় ততই ভালো। আমাদের কোনো না কোনো উপায় খুঁজতে হবে, তাদের বিপক্ষে কিভাবে সফল হতে পারি। ব্যাটসম্যানদের কথা বলতে গেলে মাঠ ছোটো বড় থাকার কারণে সবাই তো সীমানার কাছে আউট হয় না। স্লিপে আউট হয়, বোল্ড হয়, সবই আছে। এগুলো মাথায় থাকতে হবে। দুই দলই যখন শট খেলবে লাভবান হওয়ার সুযোগ আছে।’ বলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

Bellow Post-Green View