চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সব কিছুই নতুন লাগছে মুমিনুলের

প্রায় পাঁচ মাস পর মাঠে ফিরলেন মুমিনুল হক। সামনে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে টেস্ট সিরিজ বাংলাদেশের। সাদা পোশাকের টাইগার অধিনায়ক সেটিকে লক্ষ্য করে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জে নেমেছেন। শনিবার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলন সেরে ভিডিও বার্তায় এ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান প্রকাশ করেন করোনা বিরতি কাটিয়ে ক্রিকেটে ফেরার অনুভূতি।

‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। অনেক দিন পর ক্রিকেটে ফিরতে পেরেছি। খুব ভালো লাগছে। প্রথম দিন হওয়ায় সব কিছু নতুন নতুন লাগছে। মানিয়ে নিতে হয়তো সময় লাগবে। দুই তিনদিন বা চার-পাঁচদিন। আশা করছি খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে পারব। অনেক দিন ধরে বাইরে ছিলাম। খুব মিস করছিলাম। অবশেষে ভালো খবর যে অনুশীলন শুরু করতে পেরেছি।’

বিজ্ঞাপন

‘যেহেতু চার-পাঁচ মাস ঘরবন্দি ছিলাম। অবশ্যই ক্রিকেটটা অনেক মিস করেছি। বিশ্বের অনেকগুলি দল ক্রিকেটে ফিরছে। ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাদের খেলা দেখলে অবশ্যই খারাপ লাগে, মিস করি। আমরাও আস্তে আস্তে ক্রিকেটে ফেরার চেষ্টা করছি। সামনে আমাদের টেস্ট ম্যাচ আছে। সেজন্য আমরা ভালো একটা প্রস্তুতি নেব। ভালো শুরু করতে পারব, ইনশাআল্লাহ।’

বাংলাদেশ দলের শ্রীলঙ্কা সফর অনেকটাই নিশ্চিত। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আশা করছে এই সপ্তাহেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে সফরের সূচি। দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গেলেই টাইগার ক্রিকেটারদের নিয়ে বিসিবি শুরু করবে আবাসিক ক্যাম্প। তার আগে করোনা পরীক্ষা হবে সকলের।

বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাসের কারণে জুলাইয়ের তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ পিছিয়ে হতে যাচ্ছে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে। করোনা বিরতি কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভালোভাবে ফেরার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতির আশা করছেন টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল।

‘আমরা কাছে মনে হয় যখন আমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাবো তার আগে আমরা যথাযথ প্রস্তুতির সময় পাবো। প্র্যাকটিস, প্র্যাকটিস ম্যাচসহ প্রস্তুতি খুব ভালো হবে আশা করি। সব প্রস্তুতি নিয়ে ভালোভাবে টেস্ট ম্যাচ শুরু করতে পারব, আশা করছি।

মুমিনুল জানান প্রায় পাঁচ মাস বন্দিদশায় কাটালেও এই সময়টায় অনেক কিছুই শিখেছেন তিনি। ক্রিকেটে কীভাবে স্কিলে উন্নতি করা যায় তা নিয়ে ভেবেছেন, ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন। এসবের প্রতিফলন মাঠে দেখা যাবে সে প্রত্যাশা এ ব্যাটসম্যানের।

‘লকডাউনের সময় আমরা ক্রিকেট নিয়ে অনেকটা চিন্তা-ভাবনা করার সুযোগ পেয়েছি। যেহেতু কোনো কাজ ছিল না। কেউ ফিটনেস কাজ করেছে। কেউ মনসত্বাত্তিক কাজ করেছে। কোচদের সঙ্গে টেকনিক্যাল, ট্যাকটিকাল কাজ করেছে। কিভাবে খেলাটা স্কিলের দিক থেকে উন্নতি করা যায়। অনেকে তার ব্যক্তিগত কাজ করেছে কীভাবে নিজের খেলার আরও উন্নতি করা যায়।’

‘আমার কাছে মনে হয় খুব বেশি ভালো আলোচনা হয়েছে। যেগুলি দিয়ে আমরা ভালো কিছু আশা করতে পারি। যেগুলি কাজে লাগানো যায়। খেলার ভেতরে থাকলে এগুলি নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ কম হয়। মাঠের বাইরে থেকেও খেলা কীভাবে উন্নতি করা যায় সেগুলি নিয়ে কাজ করেছি।’