চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সংসদ ভেঙে ফেলার প্রস্তাব নেপালের প্রধানমন্ত্রীর

গত সপ্তাহে জারি করা নির্বাহী আদেশের পর নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি নেপালের সংসদ ভেঙে ফেলার প্রস্তাব দিয়েছেন। রোববার সেখানকার মন্ত্রিসভার এক জরুরি বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী অলির উপর অনেক চাপ ছিল সাংবিধানিক কাউন্সিল আইন সম্পর্কিত অর্ডিন্যান্স তুলে নেওয়ার জন্য, যেটা তিনি গত মঙ্গলবারই জারি করেছিলেন। সেদিনই রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারি সেটাতে অনুমোদন দেন। কাঠমাণ্ডু পোস্ট এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই অধ্যাদেশ প্রতিস্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সাংবিধানিক কাউন্সিল আইনকে সংশোধন করা ওই অধ্যাদেশ গত ১৫ ডিসেম্বর জারি করা হয়। এবং সেখানে চেক অ্যান্ড ব্যালান্সের নীতি লংঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়।

বিজ্ঞাপন

সাংবিধানিক কাউন্সিলের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও প্রধান বিচারপতি, স্পিকার, জাতীয় সংসদের চেয়ারপারসন, বিরোধীদলীয় নেতা এবং ডেপুটি স্পিকার এর সদস্য হিসেবে রয়েছেন। বিভিন্ন সাংবিধানিক পদে নিয়োগের সুপারিশ দেয় এই কাউন্সিল।

নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দল কমিউনিস্ট পার্টি জানায়, তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন হারিয়েছেন। দলের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য বিষ্ণু রিজাল বলেন, তিনি সংসদীয় দল, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং দলের সচিবালয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন।

করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলা নিয়ে সমালোচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অলি, কারণ অর্থনীতির উপর অনেক চাপ পড়েছে তখন। এরপর থেকেই তার উপর চাপ দেওয়া হয় তিনি পদ ছেড়ে দিন অথবা পার্টির উপর লাগাম টানুন।

২০১৭ সালে নির্বাচিত নেপালের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের সদস্য সংখ্যা ২৭৫ জন। হিমালয়ের দেশটিতে ২০২২ সালে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন