চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রিশা হত্যা মামলার রায় একটি অনন্য দৃষ্টান্ত

তিন বছর আগে স্কুল উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার অভিযোগে একমাত্র আসামি ওবায়দুল হকের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। এই রায় রাষ্ট্র ও সমাজে আইনের শাসনকে এগিয়ে নেবে এবং বাংলাদেশ একটি মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।

২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট স্কুলে যাওয়ার সময় এক দর্জি দোকানদার রিশাকে ছুরি মেরে রক্তাক্ত অবস্থায় স্কুলের সামনের ফুটওভার ব্রিজের ওপর ফেলে যায়। পরে সহপাঠীরা রিশাকে ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চারদিন মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে শেষে হার মানে রিশা। এ নিয়ে দেশব্যাপী সাধারণ মানুষ তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণ করায় ঘটনার ৫ দিনে মাথায় আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

হামলার দিনই রিশার মা তানিয়া বেগম রমনা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় এবং দণ্ডবিধির ৩২৪/৩২৬/৩০৭ ধারায় হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর আঘাতের অভিযোগে মামলা করেন। রিশা মারা যাওয়ার পর এটি হত্যা মামলায় পরিণত হয়। মেয়ে হত্যাকাণ্ডের পর দর্জি দোকানের কর্মচারী ওবায়দুল খানকে সন্দেহের কথা জানিয়েছিলেন রিশার মা। রিশার সহপাঠীদের বিক্ষোভের মধ্যে একই বছরের ৩১ অগাস্ট নীলফামারীর ডোমার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ওবায়দুলকে।

এ ঘটনার বিচার হওয়ায় সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি এসেছে। আমরা মনে করি, হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার সমাজে আইন শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করার একটি বড় উদাহরণ। এই ধরনের উদাহরণ দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে। এছাড়া ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেই বিষয়ে সতর্ক থেকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

Bellow Post-Green View