চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রাশিয়ার ভ্যাকসিন জরুরি ব্যবহারে অনুমোদনের সুপারিশ

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশে রাশিয়ার ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক-ভি’ জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের সুপারিশ করেছে কোভিড টেকনিক্যাল কমিটি।

আজ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

রাশিয়ার উদ্ভাবিত স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিনের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, রাশিয়ার উদ্ভাবিত করোনার ভ্যাকসিন বাংলাদেশে উৎপাদনের সক্ষমতা দেখছে। তাদের রিকোয়ারমেন্ট পূরণ হলে বাংলাদেশের ইনসেপ্টা বা অন্য কোনো উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান করোনার ভ্যাকসিন উৎপাদন করবে।

এর আগে চীনের সিনোফার্ম এবং রাশিয়ার স্পুটনিক-৫ ভ্যাকসিন কেনার জন্য সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রাপ্তির উৎস ও সংগ্রহ সংক্রান্ত কোর কমিটি। গতকাল সোমবার কমিটি তাদের এ সুপারিশ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

বিজ্ঞাপন

গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন গণমাধ্যমে জানান, ফর্মুলা গোপন রাখার শর্তে দেশেই করোনা ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক-ভি’ উৎপাদনে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে দেশটি থেকে কিছু ভ্যাকসিন নগদ অর্থে ক্রয়ও করবে বাংলাদেশ সরকার।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে রাশিয়ার যে চুক্তি হয়েছে, সেখানে আমরা বলেছি যে, কিছু আমরা ক্যাশ দিয়ে কিনব; আর কিছু এখানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করব। আমাদের দেশের কিছু ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি রাশিয়ার সহায়তা ভ্যাকসিনটি উৎপাদন করবে। তবে শর্ত হচ্ছে, এর ফর্মুলা আমরা কাউকে দিতে পারব না।’

গত বছরের ১১ আগস্ট রাশিয়া উদ্ভাবিত করোনার টিকা স্পুটনিক-ভি এর অনুমোদন দেয় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার গামেলিয়া ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার ও রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের তৈরি স্পুটনিক-৫ নামের এই টিকাটি গত ৮ সেপ্টেম্বর সে দেশের নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

বিশ্বের ৬০টি দেশ এ পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজনে এই টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। করোনার বিরুদ্ধে স্পুটনিক-ভি এর কার্যকারিতা ৯৫ শতাংশ বলে জানিয়েছে গামালিয়া।