চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘রানা-মুক্তি চার ভাই এক দড়িতে ফাঁসি চাই’

‘রানা-মুক্তি চার ভাই এক দড়িতে ফাঁসি চাই” স্লোগানে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শহীদ মিনারের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। 

বিজ্ঞাপন

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার পলাতক আসামি সাবেক মেয়র শহিদুর রহমান খাঁন মুক্তি আদালতে আত্মসমার্পণ করায় ও পলাতক অন্য আসামীদের গ্রেফতার এবং সকল আসামীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের স্ত্রী নাহার আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল, জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস আকবর আলী খান, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ তারেক পলু, শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া (বড় মনির), জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন, পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমিনুর রহমান আমিনসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, এ হত্যা মামলায় আসামীরা এখনো পলাতক রয়েছেন। এই হত্যা মামলার আসামীরা এখন শান্ত টাঙ্গাইলকে আবারো অশান্তিতে পরিণত করতে চাচ্ছে। তাই আমরা সকল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারে পুলিশের কাছে আবেদন করছি।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে গোয়েন্দা পুলিশ রাজা ও মোহাম্মদ আলীর নামক দুইজনকে ২০১৪ সালের গ্রেপ্তার করে। ওই দুই আসামীর জবানবন্দিতে এই হত্যার সাথে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের তৎকালিন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা এবং তার অপর তিন ভাই পৌরসভার তৎকালিন মেয়র শহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকণ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। তার পরেই আমানুর ও তার ভাইয়েরা আত্মগোপনে চলে যান।