চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মাওয়া ঘাট হয়ে বাড়ি ফিরছেন যারা

চলছে ঈদের ছুটি। এরই মধ্যে রাজধানী ছেড়ে বাড়ি গিয়েছেন অনেকে, কেউ কেউ পথে রয়েছেন, কেউ বা অপেক্ষা করছেন শেষ মুহূর্তে ফিরবেন বলে।

রাজধানীর গুলিস্তান ও যাত্রাবাড়ি থেকে মাওয়া ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে ইলিশ, আনন্দ, গ্রেট বিক্রমপুর, আরাম, গোধুলীসহ বিভিন্ন পরিবহনের বাস। এছাড়া আবদুল্লাহপুর প্রচেষ্টা পরিবহন এবং মীরপুর থেকে স্বাধীন পরিবহনের বাস ছেড়ে যায় মাওয়ার উদ্দেশে।

বিজ্ঞাপন

স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ঈদের সময় ভাড়া কিছুটা বাড়ে প্রতিবছরই। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। গুলিস্তান থেকে মাওয়ার ভাড়া স্বাভাবিক সময়ে ৭০ টাকা। কিন্তু শনিবার সকালে ১০০ টাকা করে রাখতে দেখা গেছে। যারা খুব সকালে ঢাকা ছেড়েছেন তাদের ভোগান্তি কিছুটা কম হলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে যানবাহনের চাপ বাড়ায় টার্মিনালগুলোতে জটের সৃষ্টি হয়। ফলে রাজধানী ছাড়তেই ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।

বিজ্ঞাপন

মাওয়া (শিমুলিয়া ঘাট) পর্যন্ত পৌছানোর পর পদ্মা পাড়ি দেওয়ার উপায় তিনটি। ফেরি, লঞ্চ এবং স্পিডবোট। ফেরি এবং লঞ্চে ভাড়া তুলনামূলক কম বাড়লেও স্পিডবোটে বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। স্বাভাবিক সময়ে ১২০ টাকার ভাড়া রাখা হচ্ছে ১৮০ টাকা করে। স্পিডবোটে কিছুটা দ্রুত নদী পাড় হওয়া গেলেও অতিরিক্ত চাপাচাপি করে বসানোয় অনেকে স্বস্তি বোধ নাও করতে পারেন। এছাড়া ঢেউয়ের বিপরীতে চলার সময় বেশ ঝাঁকুনি দিয়ে পানি গায়ে এসে পড়ারও আশঙ্কা থাকে। তাই নারী ও শিশুসহ দামী জিনিস ও ভারি ব্যাগ বহনকারীদের জন্য এ বাহন এড়িয়ে চলাই ভালো।

পদ্মা পাড় হয়ে আপনাকে পড়তে হতে পারে নতুন ভোগান্তিতে। এখান থেকে বরিশাল, খুলনা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ি, ঝিনাইদহ, যশোরসহ বিভিন্ন রুটের বাস পাওয়া কষ্টকর। পাওয়া গেলেও ভাড়া হাঁকা হচ্ছে কয়েকগুন। এছাড়া বিভিন্ন রুটে মাইক্রোবাসও চলাচল করছে। কিন্তু এসব বাহন স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুন ভাড়া দাবি করছে। উপায় না পেয়ে যাত্রীদের বেশি ভাড়া দিয়েই গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। এছাড়া, টেম্পো, হিউম্যান হলার, টমটম, ভটভটি এবং অটোরিকশাগুলোকেও দূরপাল্লার যাত্রী বহন করতে দেখা গেছে বাড়তি ভাড়ায়।

কাঠালবাড়ি ঘাটে কথা হয় দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে। তাদের মধ্যে কনস্টেবল কামাল হোসেন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং চলাচল নির্বিঘ্ন করতে আমরা তৎপর রয়েছি। এখনও পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবেই চলাচল করতে পারছেন।

(ছবি: সাখাওয়াত আল আমিন)

Bellow Post-Green View