চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মহামারি করোনা: বাবা-মায়ের সুরক্ষায় বেশি সচেতন রোশান

একে তো করোনাভাইরাসের প্রকোপ, এর মধ্যেই আবার বাইক দুর্ঘটনায় আঘাত! এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা! বলছি চিত্রনায়ক রোশানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে।

দিন দশেক আগেই তিনি আঘাত পেয়েছিলেন। রোশানের নিজের বাইকে সামান্য ক্ষতিও হয়েছিল। তবে তিনি এখন পুরোপুরি সুস্থ আছেন।

বিজ্ঞাপন

বৃ্হস্পতিবার বিকেলে চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে আলাপে সময় ব্যস্ততম এ নায়ক জানালেন, গত ১০ দিন ধরে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন রোশান। বলেন, আমি নিজে করোনা নিয়ে সচেতন আছি। তবে নিজের চেয়ে পরিবার নিয়ে বেশি সচেতন। কারণ বাবা মায়ের দুজনের বয়স হয়েছে। তাই সন্তান হিসেবে আমার দায়িত্ব তাদের বেশি সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

বিজ্ঞাপন

করোনার মধ্যে বাধ্য হয়ে একদিন বাসা থেকে বের হয়েছিলেন রোশান তাও ঔষুধ কেনার জন্য শুধু ফার্মেসি পর্যন্ত গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এছাড়া বাসার দরজার চৌকাঠ পার হইনি। আমাদের বিল্ডিংয়ের ১১ তলায় আমার বড়বোন থাকে। তার বাসা পর্যন্তও যাইনি। কোনো রিস্ক নিতে চাইছি না। নিজে নিরাপদে আছি। পরিবারকেও রাখছি।

রক্ত, ককপিট, বেপরোয়া ছবির এ নায়ক বলেন, খুবই অস্থির লাগছে। এভাবে বাসায় কখনো বসে থাকা হয়নি। কিন্তু কিচ্ছু করা নেই। মুভি দেখি, টিভিতে নিউজ দেখি, গেমস খেলি, বই পড়ছি, নামাজ আদায় করছি, বন্ধুবান্ধবদের সাথে ফোনে ভিডিও কলে কথা বলছি।

এদিকে, অনেক শিল্পী করোনার মধ্যে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। যে যেভাবে পারছেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন রোশান। তিনি বলেন, আমারও খুব ইচ্ছে করছে আমিও নিজের সামর্থ্যের মধ্যে কিছু করি। কিন্তু এ সময়ে মা কোনোভাবেই বাসা থেকে বের হতে দিচ্ছে না।

কয়েকজন মিলে একবার প্ল্যান করেছিলেন কিছু করবো। কিন্তু বাসা থেকে বের হতে দেয়নি। শিগগির একজন শিল্পী হিসেবে দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার জায়গা থেকে অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়াবেন বলে জানান রোশান।

বলেন, টাকা পয়সা খরচ করে তো মানুষের পাশে দাঁড়ানোই যায়। কিন্তু এর চেয়েও মহামারীর এ সময়ে বাইরে যাওয়া রিস্ক। তবে পরিস্থিতি একটু অনুকূলে এলেই আমি বের হয়ে নিজের সামর্থ্যের মধ্যে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবো।

২০১৬ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে রক্ত ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন রোশান। বর্তমানে তার অভিনীত মেকআপ এবং জ্বিন নামে দুই ছবি রয়েছে মুক্তি অপেক্ষায়। অপারেশন সুন্দরবন, ওস্তাদ, সাইকো এ তিন ছবি নির্মাণাধীন।