চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভোটের ভয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করেছিলো বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগকে জনগণ যাতে আর ভোট না দেয়, এ জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছিলেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি ক্লিনিক পুরস্কার-২০১৪ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে আবার কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা চালু করেছে। আগে রোগী জরুরী অবস্থায় হাসপাতালে এসেও ভর্তি হতে পারতো না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে রেফারেল সিস্টেম শুরু করায় রেফারেন্স নিয়ে আসা রোগীরা সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি হতে পারে।

গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের বিশেষ সেবা ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড খোলার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানান তিনি।

এছাড়াও বাড়িতে সন্তান প্রসব করানোর জন্যও বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীবলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে দূরবর্তী চিকিৎসা পরামর্শের জন্য ওয়েবক্যাম সরবরাহ করা হয়েছে। বর্তমান সরকার গ্রামেগঞ্জেও সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন এনে দিয়েছে। যার মাধ্যমে জরুরী চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।

জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শিগগিরই চট্টগ্রাম এবং রাজশাহী জেলায় আরও দুটি সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। পরবর্তীতে সব বিভাগীয় জেলায় একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করবে সরকার।

বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার পরিবর্তন হলে যেন কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ না হয়ে যায় সেজন্য ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে ক্লিনিক পরিচালনার কবে। এ জন্য সরকার, স্থানীয় বিত্তশালী ও জনগণের টাকা দিয়ে এই ক্লিনিক পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা এসব কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মধ্যে থেকে প্রতিটি বিভাগের একটি করে ক্লিনিককে শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি ক্লিনিকের পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সাথে ক্লিনিকে কর্মরতদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে চালু করেন ই-লার্নিং সেবা।

সারাদেশে গ্রামীণ জনগোষ্টির স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে প্রায় সাড়ে তের হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক কাজ করছে। এক একটি ক্লিনিক থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪০ জন বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করছে, রোগ নিরাময়ে দেওয়া হচ্ছে ৩০ ধরনের ওষুধ।

শেয়ার করুন: