চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বুলেটিন বন্ধ হলেও তথ্য প্রবাহে কোনও অসুবিধা হবে না: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

অনলাইনে সরাসরি শেষ স্বাস্থ্য বুলেটিন পরিবেশন করা হলো আজ দুপুর আড়াইটায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, স্বাস্থ্য বুলেটিন বন্ধ হলেও তথ্য প্রবাহে কোনো অসুবিধা হবে না।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে স্বাস্থ্য বুলেটিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। করোনা বিষয়ক আপডেট বুধবার থেকে গণমাধ্যমের কাছে প্রেস রিলিজ আকারে পাঠানো হবে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার দুপুরে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল থেকে এই অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিন আর হবে না, তবে যথারীতি যে প্রেস রিলিজ দেওয়া হয় সেটা সবাইকে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। আপনার সবগুলো তথ্যই জানতে পাবেন। তথ্য প্রবাহে কোনো অসুবিধা হবে না। তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নিয়মিত পাঠানো হবে। স্বাস্থ্য বুলেটিন আগামীকাল থেকে বন্ধ থাকবে।’

সবাই আপনারা ভালো থাকবেন এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলবেন জানিয়ে স্বাস্থ্য বুলেটিন শেষ করেন ডা. নাসিমা সুলতানা।

বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাসের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং কমে এসেছে বলে মনে করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তাই আর বুলেটিন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘এখন করোনা পরিস্থিতি একটু কন্ট্রোল হচ্ছে বলে আমরা মনেকরি, একটু কমে আসছে। তাই রেগুলার ওইভাবে একজন ব্যক্তি দিয়ে প্রেস ব্রিফিং না করে প্রেস রিলিজ দেওয়া হবে।’

গত চার মাসেরও বেশি সময় যাবত দুপুর আড়াইটায় করোনাভাইরাস সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিন পরিবেশন করে আসছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল করোনা বিষয়ক ব্রিফিং এ সাংবাদিকদের থেকে প্রশ্ন নেওয়া বাদ দিয়ে তাকে বুলেটিন নাম দেওয়া হয়। সেদিন ব্রিফিংয়ে যুক্ত হয়ে অধিদফতরের তৎকালীন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছিলেন, নিয়মিত ব্রিফিং হিসেবে প্রচার না করে তারা একে স্বাস্থ্য বুলেটিন হিসেবে প্রচার করবেন। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘এর পরে আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর আর হবে না।’

তারও আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে করোনাভাইরাস ইস্যুতে প্রথম ব্রিফিং আয়োজন করে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা তখন করোনা বিষয়ক সকল তথ্য দিতেন। সেই সময় করোনা বিষয়ক ব্রিফিং দেশের মানুষের আগ্রহে পরিণত হয়। এরপর গত মার্চ মাসে আইইডিসিআর থেকে ব্রিফিং করতে থাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।