চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিয়ে করলেই ক্যারিয়ার শেষ, এই দিন নেই!

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বহুকাল ধরে এক ধরনের কথার প্রচলন রয়েছে যা প্রায় সময়ই শোনা যায় যে,  বিয়ে হলেই নাকি নায়িকাদের ক্যারিয়ার শেষ!

তবে এই প্রচলিত কথাকে অনেক আগেই ভুল প্রমাণ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। শুধু বিয়ে নয়, সন্তান জন্মের পরও সিনেমাতে নিয়মিত থেকেছেন এই অভিনেত্রী।

বিজ্ঞাপন

গেল বছর সর্বশেষ ‘গুড নিউজ’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন কারিনা, যেখানে তার বিপরীতে ছিলেন বলিউডের ‘খিলাড়ি’ খ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার। মুক্তি পাওয়া ছবিটি বেশ ব্যবসা সফলও হয়েছিল। আর এবার কারিনা হাজির হতে যাচ্ছেন আরেক বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘আংরেজি মিডিয়াম’ এ।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক সাক্ষাৎকারে ‘আংরেজি মিডিয়াম’ এ অভিনয় প্রসঙ্গে নানা কথা বলেছেন কারিনা।

এসময় ‘আংরেজি মিডিয়াম’ ছবিটি কারিনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানতে চাইলে তিনি জানান যে, আমি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে পছন্দ করি। সেক্ষেত্রে এই ছবিতে আমার চরিত্রটি আমার কাছে খুবই পছন্দের। এর আগে যখন ছবিটির প্রথম কিস্তি ‘হিন্দি মিডিয়াম’ দেখেছিলাম, তখন থেকেই ইচ্ছা ছিল এর সিক্যুয়ালে অভিনয়ের সুযোগ পেলে কখনোই হাত ছাড়া করবো না। এবং শেষমেশ সেটাই করেছি।

এর আগে কি ইরফান খানের সাথে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কারিনা জানান যে, সত্যিই পাইনি, তবে ইচ্ছা ছিল কাজ করার। তাই তো সুযোগ পেয়ে হাত ছাড়া করিনি।

অভিনয় ক্যারিয়ারে প্রায় ২০ বছর পার করে ফেলেছেন, এখন এই পর্যায়ে এসে নিজে কতটা অর্জন করতে পেরেছেন এমন চিন্তা করলে কি মনে হয়? এমন প্রশ্নের উত্তরে কারিনা জানান, অভিনয় আমার কাছে ভালোবাসার মত। দুই দশক পার হওয়ার পরও যেটি আমার কাছে কখনোই পুরোনো মনে হয় না। তৈমুর যখন সাড়ে ৬মাস বয়সী ছিল তখন আমি ‘ভিরে দি ওয়েডিং’ দিয়ে চলচ্চিত্রে কামব্যাক করি। এবং ছবিটির বক্স অফিস আয় ভালো ছিল। কিন্তু এখন আমি বেশ বুঝে শুনে এবং সময় বিবেচনা করে কাজ বাছাই করছি।

পরিচালক নির্বাচন নিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, আমি এমন একজন অভিনেত্রী যে অল্প সময়ে অনেক অভিনেতা ও পরিচালকের সাথে কাজে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। সেই তালিকায় রোহিত শেঠি, ইমতিয়াজ আলি, রাজকুমার হিরানী, সুধীর মিশ্র, মনি রন্তম সহ আরো অনেক পরিচালক ছিলেন। যার ফলে নিজেকে অনেক ভাগ্যবতী মনে করি আমি। সামনে ইচ্ছা আছে জয়া আকতারের সাথে কাজ করার। তার পরিচালিত ‘গাল্লি বয়’ ছবিটি মুগ্ধ করেছে আমাকে।

শেষে বলেন, মূলত নিজের জীবন থেকেই আমি বুঝতে পারছি বিয়ে কোন অভিনেত্রীর ক্যারিয়ার শেষের কারণ হতে পারে না। যদি কেউ মন থেকে চায় জীবনে এগিয়ে যেতে তবে সাফল্য আসবেই।