চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বার্তেমেউকে ‘গদিচ্যুত’ করার দ্বারপ্রান্তে বার্সা সমর্থকরা

অনাস্থা ভোটের জন্য প্রয়োজন ১৬,৫২১টি স্বাক্ষর। করোনার মাঝেও বার্সেলোনা সমর্থকরা ২০,৭৩১টি সংগ্রহ করে বুঝিয়ে দিয়েছে সভাপতি হিসেবে ন্যু ক্যাম্পে আর কোনো কদর নেই জোসেপ মারিয়া বার্তেমেউয়ের। স্মারকলিপিতে স্বাক্ষরের মাধ্যমে এখন বার্তেমেউয়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের আয়োজন করতে পারবে ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার সমর্থকরা।

শেষ কয়েক মৌসুমের বিবর্ণ পারফরম্যান্স, অকার্যকর দলবদল, আর খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিবাদ; সবমিলিয়ে সমর্থকদের কাছ থেকে দিন দিন সমর্থন হারাচ্ছিলেন বর্তমান সভাপতি বার্তেমেউ।

Reneta June

সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৮-২ গোলে হার আর ক্লাব ইতিহাসের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির দল ছাড়ার ইচ্ছার ঘোষণার পর ধৈর্য হারায় সমর্থকরা। নির্ধারিত সময়ের আগেই বার্তেমেউকে ক্লাব থেকে তাড়াতে গণস্বাক্ষর গ্রহণ কর্মসূচিতে নামে বার্সার একদল নিবন্ধিত সমর্থক।

বিজ্ঞাপন

ক্লাবের নিয়ম অনুযায়ী সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের জন্য অন্তত ১৬,৫২১ জন নিবন্ধিত সমর্থকের স্বাক্ষর প্রয়োজন। যদি সেটি সংগ্রহ হয়েই যায়, সেসব বার্সার বোর্ডের কাছে জমা দিতে হবে। পরে ক্লাবের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরের কয়টি বৈধ আর কয়টি অবৈধ সেগুলো পর্যালোচনা করা হয়।

সাধারণত কমপক্ষে ১০ ও সর্বোচ্চ ২০ কর্মদিবসের মধ্যে এসব স্বাক্ষরের বৈধতা বিবেচনা করার পর একটি স্মারকলিপি তৈরি করে ক্লাবের সদস্যরা কী চান সেটা ৪০ দিনের মধ্যে জানার চেষ্টা করা হবে।

এরপরও বর্তমান বোর্ড যদি নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের ডাক দেয়া যাবে। তাতে যদি দুই-তৃতীয়াংশ ভোট বার্তেমেউয়ের বিপক্ষে যায় তখন নির্ধারিত সময়ের আগেই পদ ছাড়তে হবে তাকে এবং দ্রুত নতুন সভাপতি নির্বাচন হবে।

বার্তেমেউ বিরোধীরা বলছেন, তারা ২০,৭৩১টি স্বাক্ষর এরইমধ্যে সংগ্রহ করে ফেলেছেন। যার মধ্যে ১৬,৫২১টি স্বাক্ষর বৈধ হলেই বার্তেমেউয়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট আয়োজন করা যাবে। তাতে তার বিরুদ্ধে দুই-তৃতীয়াংশ ‘না’ ভোট পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতা ছাড়তে হবে এবং ২০২০ সালের শেষের দিকে হতে পারে ক্লাব নির্বাচন। এমনিতে ২০২১ সালের মার্চে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা আছে বার্সার।