চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বসুন্ধরা সিটিতে থাকছে না স্টার সিনেপ্লেক্স

রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা সিটি শপিংমলে থাকছে না স্টার সিনেপ্লেক্স। বড় পর্দায় দেশ বিদেশের সিনেমা দেখতে সেখানে আর ভিড় করার সুযোগ নেই শহুরে তরুণ তরুণীদের। 

চ্যানেল আই অনলাইনকে এমন দুঃসংবাদই জানালেন স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেল।

বিজ্ঞাপন

গেল মাসেই সংবাদ সম্মেলন করে রুহেল জানিয়েছিলেন, করোনার উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তা না পেলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে সিনেপ্লেক্স। তবে কি এ  কারণেই বন্ধ হচ্ছে?

বিজ্ঞাপন

স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার মেসবাহউদ্দিন আহমেদ জানালেন নতুন সংকটের কথা। তিনি বললেন, গেল মাসেই আমরা বসুন্ধরা সিটি শপিংমলের মালিক পক্ষের নোটিশ পেয়েছি। তারা আমাদের জানিয়েছেন জায়গাটা ছেড়ে দিতে। এখন যেহেতু তারা মালিক, ফলে জায়গা ছেড়ে দিতে আমরা বাধ্য। আমরা সিনেপ্লেক্সের এই ব্রাঞ্চটা বন্ধ করে দিবো।

এ বিষয়ে রুহেল বিস্তারিত জানিয়ে চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স শাখা বন্ধ করে দিচ্ছি। শপিংমল কর্তৃপক্ষ একমাস আগেই সিনেপ্লেক্সের শাখা ছাড়ার জন্য নোটিশ দিয়েছে। নোটিশে বলা আছে, তিন মাসের মধ্যে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। ৬ টি স্ক্রিনে ১৬০০ আসন ছিল। শাখাটি রাখার অনেক চেষ্টা করেও পারলাম না। তবে সিনেপ্লেক্সের অন্যান্য শাখাগুলো (ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার, মহাখালীর এসকেএস টাউয়ার) চালু থাকলো। নতুন করে মিরপুর-১ এর সনি কমপ্লেক্স সিনেপ্লেক্স হিসেবে চালু হবে।

রাজধানীতে সিনেপ্লেক্সের আরো দুটি ব্রাঞ্চ থাকায় খুব একটা সমস্যা হবে না বলেও জানান মেসবাহউদ্দিন। তিনি বলেন, বসুন্ধরা সিটিতে সিনেপ্লেক্স বন্ধ হলেও আমাদের খুব একটা সমস্যা হবে না। তবে যেহেতু এটি আমাদের প্রথম জায়গা, এবং সিনেপ্লেক্সের উত্থানের জায়গা ছিলো এই বসুন্ধরা- ফলে একটু ইমোশনতো থাকেই। আর ২০০৪ সালে এই সিনেপ্লেক্স হওয়ারই পরই হলবিমুখ মধ্যবিত্ত শ্রেণি আবার সিনেমা হলে এসে সিনেমা দেখতে শুরু করে।