চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বন্যায় নাকাল বিভিন্ন জেলা

টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রাম, টাঙ্গাইল, জামালপুর ও গাইবান্ধার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ১২ নদীর ১৭টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও ২ লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী।

কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করছে। ২০টি ইউনিয়নের নদ-নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের দেড় শতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। পানিবন্দী থাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকট দেখা দিয়েছে।

টাঙ্গাইল: উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে যমুনা নদীর পনি। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে টাঙ্গাইলের নলীন পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ভূঞাপুর উপজেলার তিন ইউনিয়ন ও গোপালপুর উপজেলার একটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। শুক্রবার থেকে জামালপুরে বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনার পানি বিপৎসীমার ১৯ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

জামালপুর: পানি বেড়ে জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বাহাদাুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইছে। ইসলামপুর উপজেলা পৌর এলাকাসহ তলিয়ে গেছে পশ্চিাঞ্চলের নোয়ারপাড়া, চিনাডুলী, বেলগাছা, পাথর্শী ও কুলকান্দি ইউনিয়নের বিস্তীর্ন জনপদ।

গাইবান্ধা: গাইবান্ধার চুনিয়াকান্দি এলাকায় সোনাইল বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। এতে সদর উপজেলার বোয়ালি, বাদিয়াখালি, সাঘাটার পদুমশহর, ফুলছড়ির কঞ্চিপাড়া ও উদাখালীর এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ভেঙ্গে গেছে ফুলছড়ির কালিরবাজার-গুণভরি সড়কের পূর্ব ছালুয়া এবং কালিরবাজার কাঠুর সড়কের ২টি ব্রিজ।

কক্সবাজার: কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এখনো জেলার ৭১টি ইউনিয়নের ২৫টি ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রাম এখনো পানির নিচে। পানিতে ডুবে আছে আভ্যন্তরীণ সড়ক, কালভার্ট, ঘর-বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মৎস্য ঘের এবং ফসলি জমি। তবে বন্যার্তদের সহায়তা দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ পর্যন্ত বন্যার পানিতে ডুবে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে: