চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ফায়েদাবাদ গণকবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত সালেহ আহমেদ

সাদামাটাভাবেই বিদায় নিলেন নন্দিত অভিনেতা সালেহ আহমেদ। বুধবার রাত সাড়ে দশটার দিকে রাজধানীর দক্ষিণখান থানার ফায়েদাবাদ গণকবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন গুণী এই অভিনেতা।

চ্যানেল আই অনলাইনকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন সালেহ আহমেদের মামাতো ভাই ও অভিনেতা আহসানুল হক মিনু।

বিজ্ঞাপন

মিনু জানান, সালেহ আহমেদের মরদেহ অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে বিকালেই উত্তরখানে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাকে দেখতে আসেন তার নিকট আত্মীয় স্বজন। তবে অভিনয় জগতের হাতেগোনা দুয়েকজন ছাড়া কেউ শেষযাত্রায় দেখতে আসেননি বলেও জানান মিনু।

এশার নামাজের পর উত্তরখানের স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গণেই জানাজা হয় সালেহ আহমেদের। এরপর ফায়েদাবাদ গণকবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান মিনু।

দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগে বুধবার দুপুর ২টা ৩৩ মিনিটে অ্যাপোলো হাসপাতালে সালেহ আহমেদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সালেহ আহমেদ।

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে সালেহ আহমেদের জন্ম। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরে চাকরির পাশাপাশি ময়মনসিংহে অমরাবতী নাটমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এই অভিনেতা। স্বাধীনতার আগে বিটিভিতে তিনি নিয়মিত অভিনয় করতেন।

১৯৯১ সালে অবসরে যাওয়ার পর হুমায়ূন আহমেদের নাটকে ও চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। ধারাবাহিক ‘অয়োময়’ নাটক এবং ‘আগুনের পরশমণি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয় জগতে তার দাপুটে পদচারণা শুরু হয়। এরপর অসংখ্য টিভি নাটক এবং চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

গুণী এই অভিনেতা দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গত তিন বছর বিছানায় শুয়েই কাটছিলো তার জীবন। সালেহ আহমেদের চিকিৎসায় ব্যয় হয়েছে মোটা অংকের টাকা। ২০১১ সালে স্ট্রোকের পর থেকে তার চিকিৎসার খরচ বহন করতে হিমশিম খেতে শুরু করে তার পরিবার। তারপর এগিয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তার চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের শুরুতে ২৫ লাখ টাকা দেন সঞ্চয়ী পত্র হিসেবে। যেখান থেকে চিকিৎসা বাবদ ২৫ হাজার টাকা খরচ করতেন সালেহ আহমেদ।

Bellow Post-Green View