চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রথমবার আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে নিউজিল্যান্ড

প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট, দ্বিতীয় ইনিংসে নিলেন ৬, ২৬ বছর বয়সী ডানহাতি মিডিয়াম পেসার কাইল জেমিসনের বিপক্ষে দাঁড়াতেই পারেননি পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। দুই টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে ১০১ রানে জেতা কেন উইলিয়ামসনের দল দ্বিতীয় টেস্টে তুলেছে ইনিংস ও ১৭৬ রানের বিশাল ব্যবধানে।

ক্রাইস্টচার্চের উড়ন্ত জয় দিয়ে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে উঠে গেছে কিউইরা। টানা তিন সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ দিল নিউজিল্যান্ড। আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতকে ডুবিয়েছে তারা। ঘরের মাটিতে ১৭ টেস্টে অপরাজিত থাকল উইলিয়ামসনের দল।

বিজ্ঞাপন

কেন উইলিয়ামসনের ২৩৮, হেনরি নিকোলসের ১৫৭ ও ড্যারেল মিচেলের অপরাজিত ১০২ রানে পাকিস্তানকে রানের বোঝায় চেপে ধরেছিল নিউজিল্যান্ড। স্বাগতিকদের দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে পাঠাতে সফরকারীদের করতে হতো ৩৬৩ রান, তাতে ১ রানের লিড পেত মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল!

বুধবার প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ৬৫৯ রান তুলে ইনিংস ছাড়ে নিউজিল্যান্ড। লিড পায় ৩৬২ রানের। প্রথম ইনিংসে ২৯৭ রানে অলআউট হওয়া পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেট হারিয়ে ৮ রান তুলে তৃতীয় দিন শেষ করে।

চতুর্থ দিনে নেমে স্রেফ আত্মসমর্পণ করেছে সফরকারীরা। ১৮৬ রানে গুটিয়ে গেছে। সর্বোচ্চ ৩৭ করেছেন আজহার আলি, ২৬ এসেছে আবিদ আলির থেকে। শেষদিকে ফাহিম আশরাফ ২৮ ও জাফর গহরও ৩৭ রান দিয়ে আরও আগে গুটিয়ে যাওয়া ঠেকান।

বিজ্ঞাপন

পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস থেকে ৬৯ রানে ৫ উইকেট তোলা জেমিসন দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৮ রানে ৬ উইকেট যোগ করেছেন নামের পাশে। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১১ উইকেট তার। ম্যাচসেরার খেতাব পেয়েছেন। সিরিজ সেরা উইলিয়ামসন।

এর আগে ক্যারিয়ারের ৮৩তম টেস্টে চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরি তোলেন উইলিয়ামসন। সেটি মঙ্গলবারের ঘটনা। এই টেস্টের এক ম্যাচ আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনি খেলেছেন ২৫১ রানের ইনিংস। তার পরের টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২৯ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস আছে আইসিসি টেবিলের শীর্ষ টেস্ট ব্যাটসম্যানের।

৩০ বছর বয়সী কিউই অধিনায়ক গতকাল ফিরেছেন ২৩৮ করে। ২৮ চারে ৩৬৪ বলের ইনিংস। খেলেছেন ৫৭৩ মিনিট ধরে। পথে ৩৬৯ রানের দেশীয় রেকর্ড চতুর্থ উইকেট জুটি গড়েছেন হেনরি নিকোলসের সাথে। নিকোলস থামেন ১৮ চার ও এক ছয়ে ২৯১ বলে ১৫৭ করে।

উইলিয়ামসন পরে ১৩৩ রানের জুটি গড়েন আরেক সেঞ্চুরিয়ান ড্যারেল মিচেলের সাথে। মিচেল অবশ্য ওয়ানডে ঢংয়ে সেঞ্চুরি তুলেছিলেন। ১১২ বলে অপরাজিত ১০২ রানের ইনিংস। ৮ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো। কাইল জেমিসন শেষদিকে ২টি করে চার-ছক্কায় থাকেন ২২ বলে ৩০ রানে অপরাজিত।