চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পানি থেকেই এলিয়েন!

পানির উপস্থিতি রয়েছে – এমন বিশ্বেরই কোনো না কোনোটিতে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের উডস হোল ওশেনোগ্রাফিক ইনস্টিটিউশনে ৮০ জন বিজ্ঞানী এটি নিয়েই গবেষণা করছেন।

ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের কেপ কড উপদ্বীপে ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে গবেষণা চলছে সৌরজগতের দু’টো উপগ্রহ নিয়ে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে বৃহস্পতির বরফে ঢাকা ইউরোপা, বৃহস্পতির তীব্র মহাকর্ষের টানে যার ভেতরের পানি তরলই থাকে। আর অন্যটি হলো শনির উপগ্রহ এনসিলেডাস, যার দক্ষিণ মেরু থেকে কিছু সময় পর পর জলীয় বাষ্প, গ্যাস এবং বরফ বিশাল উষ্ণ প্রস্রবণের মতোই ছুটে বেরিয়ে আসে। শনিকে প্রদক্ষিণ করার সময় বেরিয়ে আসা কণাগুলো একটি জ্বলজ্বলে পথের সৃষ্টি করে।

বিজ্ঞাপন

তবে শুধু বাইরের জগত নয়, পৃথিবীর ভেতরের, খুব ভেতরের জগত নিয়েও গবেষণা চালাচ্ছেন এই বিজ্ঞানীরা। আমাদের পৃথিবীর সাগরের তলদেশের অন্ধকার অচেনা জগতটাও আমাদের কাছে খুব একটা চেনা তো নয়।

বিজ্ঞাপন

সাগরতলের দুনিয়াতে এখনো মানুষ ঠিকঠাক পৌঁছাতে পারেনি। জায়গাগুলো খুব বেশিই দূরে এবং প্রতিকূল। সূর্যের আলোও সেখানে যায় না। অনেক বিজ্ঞানীর মতে, সাগরতলের এই দূরবর্তী অন্ধকারেই লুকিয়ে রয়েছে প্রাণের রহস্য। তাদের তত্ত্বমতে, কয়েকশ’ কোটি বছর আগে সমুদ্রের তলদেশের মাটিতে বিশৃঙ্খল রসায়নই পৃথিবীতে প্রথম প্রাণসঞ্চারে ভূমিকা রেখেছিল। যদি সৌরজগতের আর কোথাও প্রাণের উদ্ভব হয়ে থাকে তবে সেটিও একইভাবে শুরু হয়েছে।

এটি নিশ্চিত হওয়ার একমাত্র উপায় হলো পানি আছে এমন উপগ্রহগুলোতে গিয়ে যাচাই করা। কিন্তু তার আগে তো মহাকাশ গবেষকদের পৃথিবীর পানিতে প্রাণের উদ্ভব সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে হবে। এ কারণেই উডস হোল ওশেনোগ্রাফিক ইনস্টিটিউশনে সমুদ্রবিজ্ঞানী ও মহাকাশ বিজ্ঞানীরা একটি সম্মেলনে একত্র হয়েছেন।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা – নাসা থেকেও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে জলজগত সম্পর্কে গবেষণা করার। নাসার অর্থায়নে রিমোট কন্টোলড রোবটের সাহায্যে এ ধরণের গবেষণা প্রকল্প পরিচালিত হতে পারে।

Bellow Post-Green View