চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজয়ী মমতার দল

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম আসনে হারলেও বিপুল ভোটে জয় পেয়ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেস।

জয়ের পর রোববার সন্ধায় রাজ্যবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মমতা।

তিনি বলেন, এবার আমাদের প্রথম কাজ হবে করোনা মোকাবিলা করা।

মমতা বলেন, এই জয়ের জন্য তিনি প্রথমেই অভিনন্দন জানান রাজ্যবাসীকে। তাদের আশীর্বাদেই তৃণমূল এবার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে। এ জয় বাংলার জয়, বাংলার মানুষের জয়। এই জয় ভারতবর্ষের মানুষকে বাঁচিয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল ২২১ আসনে জয়ের। আমরা এখন জয়ের পথে ২১৫টি আসনে।

মমতা বলেন, এবার সত্যিই খেলা হয়েছে। আর সেই খেলায় আমরা জিতেছি।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, রাজ্যের ২৯২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ২১৫টি আর বিজেপি জিতেছে ৭৫টি আসনে। সংযুক্ত মোর্চা মাত্র একটি আসনে।

বিজ্ঞাপন

তৃণমূলের জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। রোববার সন্ধ্যায় এক টুইট বার্তায় মোদি এ অভিনন্দন জানান। নির্বাচনে তৃণমূলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মোদির দল বিজেপি।

টুইটে মোদি বলেন, মমতা দিদিকে পশ্চিমবঙ্গে তার দল তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের জন্য অভিনন্দন। কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জনগণের প্রত্যাশা ও কোভিড-১৯ মহামারি থেকে বের হয়ে আসতে সব ধরনের সম্ভাব্য সহযোগিতা দিয়ে যাবে।

ভোট গণনা শেষ হয়ে আসলেও নন্দীগ্রাম নিয়ে অনেক নাটকীয় মোড় নেয়। নানা নাটকীয়তার পর এ আসনে মমতাকে হারিয়ে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বিজয়ী হওয়ার ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন।

এক ঘোষণায় নির্বাচন কমিশন জানায়, নন্দীগ্রাম আসনে এক লাখ ৯ হাজার ৬৭৩ ভোট পেয়েছেন শুভেন্দু। আর মমতা পেয়েছেন এক লাখ ৭ হাজার ৯৩৭ ভোট।

এর আগে রোববার দিনভর এই আসনের ভোট গণনায় মমতার সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলতে থাকে।

সন্ধ্যায় বিভিন্ন গণমাধ্যম খবর দেয়, শুভেন্দুকে ১ হাজার ২০২ ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর কিছুক্ষণ পর আনন্দবাজার শুভেন্দু অধিকারীর জয়ের খবর দেয়।

পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে গত ২৭ মার্চ প্রথম দফায় ৩০টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। এরপর ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ৩০টি আসনে, ৬ এপ্রিল তৃতীয় দফায় ৩১টি আসনে, চতুর্থ দফায় ১০ এপ্রিল ৪৪টি আসনে, পঞ্চম দফায় ১৭ এপ্রিল ৪৫টি আসনে, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ দফায় ৪৩টি আসনে ২৬ এপ্রিল ৭ম দফায় ৩৪টি আসনে ও শেষ দফায় ২৯ এপ্রিল ৩৫টি আসনে ভোট নেওয়া হয়।

দুটি আসনে আসনে প্রার্থী দুই প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় সেখানে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

বিজ্ঞাপন