চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নৌকা জিতলো, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখাও হলো

নির্বাচনের আগে দেশের অলিগলি, শহর, বন্দর, গ্রামে সবখানে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় একটি গান ব্যবহার হতো। ‘জয় বাংলা, জিতবে এবার নৌকা’!

এই গান শোনেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরা হয়েছিল ওই গানে। নৌকা জয় পেয়েছে। তাই এ গানের রূপকারদের সঙ্গে দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সম্প্রতি গণভবনে পিঠা উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করেন বহুল আলোচিত ‘জয়বাংলা’ গানের সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে পুরো টিম বেশ উচ্ছ্বসিত। প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেয়ে গানটির গীতিকার তৌহিদ হোসেন জানান, ‘একটি গান পুরো দেশের জনগণকে আনন্দিত করতে পারে। সত্যিই প্রশংসনীয়। এমনই মন্তব্যে পেয়েছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে। আমরা সত্যিই আনন্দিত এবং গর্বিত। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে আগামীতেও আমরা নতুন নতুন গান উপহার দিতে পারবো। আমার পুরো টিম বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব আশরাফুল আলম খোকনের প্রতি কৃতজ্ঞ।’

Advertisement

দেশব্যাপী গানটি ভাইরালও হয়েছে। অনেকে এটিকে রিংটোন হিসেবেও ব্যবহার করছেন। বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গানটির সঙ্গে নেচে ফ্লাশমব তৈরি করেছেন। গানটি প্রসঙ্গে তৌহিদ হোসেনে বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে ভিন্ন কিছু একটা করার পরিকল্পনা মাথায় ঘুরছিলো। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই গানটি করেছি। এমন অভাবনীয় সাড়া পাবো ভাবতেই পারিনি।

তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতে গানটি ভালো ভূমিকা রাখছে বলে আমি বিশ্বাস করি।’ তৌহিদ হোসেনের মতে, এক গানে সরকারের সাফল্য তুলে ধরা সম্ভব নয়। তবুও তিনি চেষ্টা করেছেন এবং সে চেষ্টাকে দেশবাসী সাদরে গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘গানটি আমরা নিজেদের ভালো লাগার জায়গা থেকে তৈরি করে ইউটিউবে প্রকাশ করেছিলাম। বাকীটা ইতিহাস। দ্রুতই এটি ছড়িয়ে যায় সর্বত্র। আওয়ামী লীগের অনেক জনপ্রিয় নেতারাও এটিকে শেয়ার দিয়েছেন, ফোনের রিংটোন করে নিয়েছেন। অন্য দলের বন্ধুরাও গানটির প্রশংসা করছেন। এটা সত্যি আনন্দের।’

প্রথম গানটির সাড়া পাওয়ার পরই এর সিক্যুয়াল ‘জিতলো আবার নৌকা’ গানটি প্রকাশ করা হয়। এই গানটিও রীতিমত আলোড়ন তুলেছে।

‘জয় বাংলা-জিতবে এবার নৌকা’ শীর্ষক গানটির কথা লিখেছেন তৌহিদ হোসেন। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন যৌথভাবে সরোয়ার ও জিএম আশরাফ। এর সংগীতায়োজন করেছেন ডিজে তনু ও এলএমজি বিটস। সম্পাদনা ও কালার সমন্বয়ে ছিলেন মোহাম্মাদ হৃদয়। গানটির ভিডিওচিত্র প্রযোজনায়ও ছিলেন তৌহিদ হোসেন।