চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নির্ধারিত সময় এলেই ভ্যাকসিন নেবেন অর্থমন্ত্রী

করোনা ভ্যাকসিনের জন্য নির্ধারিত সময় এলেই ভ্যাকসিন নেবেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার অর্থনৈতিক ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

করোনা টিকা দেয়া শুরু হচ্ছে, আপনি আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন প্রথমে টিকা নিতে চান। আপনি কবে টিকা নিচ্ছেন?

এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন: আমি একা নিলেই তো হবে না। আমি এখনও সবার আগে টিকা নিতে চাই। যেদিন নেব সেদিন আমি সবার আগে থাকব এটা আশ্বস্ত করতে পারি। এখন ডেটসহ (তারিখ) অন্যান্য বিষয় নিয়ে কাজ চলছে। সমাজের বিভিন্ন এলাকা ধরে আমরা এগুলো (টিকা) বিতরণ করব, সেভাবেই এগোচ্ছে। সেজন্য বিভিন্ন ক্রাইটেরিয়া এবং বিভিন্ন বয়স বিবেচনায় নিয়ে এগুলো করা হবে। আমার জন্য নির্ধারিত সময় কখন আসবে আমি এখনও জানি না, যেদিন আসবে আমি নিশ্চয়ই সেদিন ভ্যাকসিন নেব।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি বুধবার অর্থনৈতিক ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ভ্যাকসিন সবার আগে নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

ওই সময় তিনি বলেছিলেন: আমি ভ্যাকসিন নেব, অবশ্যই নেব। আমি সবার আগেই নেব। আমার তো ভ্যাকসিন দরকার। আমার বয়স হয়েছে। সরকার যেটা আনছে সেটাই নেব। যেখান থেকে আগে আসে। সব তো একই ভ্যাকসিন। একই কোম্পানির ভ্যাকসিন। ম্যানুফ্যাকচারার যদি বলে একই ভ্যাকসিন, তাহলে একই ভ্যাকসিন। এ পর্যন্ত আমরা দ্বিতীয় সোর্স থেকে ভ্যাকসিন আনছি বলে তথ্য পাইনি।

কয়েকদিন আগে একটি গবেষণা সংস্থা বলেছে, ‘বাংলাদেশে এখন প্রবৃদ্ধির হার ৪২ শতাংশ’, এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী হিসেবে মতামত জানতে চাইলে মুস্তফা কামাল বলেন: তিনি কয়টি গ্রামে গেছেন, কয়জন মানুষের সঙ্গে তার দেখা হয়েছে এবং কীভাবে তিনি এ তথ্য সংগ্রহ করলেন সেটা আমাদের জানা দরকার। আমাদের দেশের মানুষের সংখ্যার তুলনায় ৫শ, ৭শ কিংবা ৩শ মানুষের মতামত পুরোটাই অযৌক্তিক।

আপনাদের হিসাবে দারিদ্র্য বেড়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন: অতি কাছাকাছি সময়ে আমাদের পরিসংখ্যান ব্যুরো এটার কাজ করেছে বলে আমার মনে হয় না। এটা কোভিডের আগে যে সমস্ত ফিগার ছিল, সেগুলো আমরা ব্যবহার করি। এখন পরবর্তীতে তারা যখন আবার জরিপ চালাবে তখন সর্বশেষ বিস্তারিত জানা যাবে।