চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নাগরিক সেবায় যত বেশি ইতিবাচক কাজ ততবেশি পুরস্কার ও প্রণোদনা: আইজিপি

গণমানুষের কল্যাণে নাগরিক সেবায় বাংলাদেশ পুলিশের যেকোনো প্রান্তের যেকোন সদস্য যত বেশি ইতিবাচক কাজ করবেন ততবেশি পুরস্কার ও প্রণোদনা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

‘‘সমন্বিত উন্নয়নের জন্য জনবান্ধব পুলিশিং এর কোনো বিকল্প নেই, সেজন্যই আমরা পুলিশিং সেবাকে নাগরিকদের দারগোড়ায় নিতে চাই। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রাক্কালে সুন্দরবনের নিখোঁজ হওয়া ৬ কিশোর উদ্ধারে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যেভাবে দুঃসাহসিক অভিযান পরিচালনা করেছেন, এটি তারই প্রমাণ’’, বলেন আইজিপি।

বিজ্ঞাপন

গত ২৮ মে সেই উদ্ধার অভিযানে বাংলাদেশ পুলিশের সাহসী সদস্যবৃন্দ এবং পুলিশকে আন্তরিকভাবে সহায়তাকারী স্থানীয় নাগরিকদের বিশেষ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

গতকাল সন্ধ্যায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ এর এক  সদস্য, বাগেরহাটের ধানসাগর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ৭ পুলিশ সদস্য এবং স্থানীয় চারজন নাগরিককে আইজিপির পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা, সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট ও প্রণোদনা প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আইজিপি বলেন: বাংলাদেশের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ আমাদেরকে ত্বরান্বিত, গতিশীল এবং সমন্বিত সেবা প্রদান করতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে।

বেনজীর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা প্রতিনিয়ত নানা প্রান্তে নানাভাবে ইতিবাচক নাগরিক বান্ধব কাজ করে চলেছে। সেইসব ভালো কাজ আমাদের দৃষ্টিতে আনতে হবে, যাতে আমরা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে তাদেরকে প্রণোদনা প্রদান ও পুরস্কৃত করতে পারি।

তিনি উল্লেখ করেন যে, সুন্দরবনে নিখোঁজ ৬ কিশোর উদ্ধারের মডেলটি স্থানীয় নাগরিক ও পুলিশের মেলবন্ধনের একটি দৃষ্টিনন্দন ও অনুকরণীয় উদাহরণ। ভালো কাজের কোন শেষ নেই,তাই আমাদের প্রতিনিয়ত অধিকতর ভালো কাজ করে যেতে হবে।

সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।