চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নতুন শনাক্ত ৩৩০৬, মৃত ৯৭

করোনাভাইরাস

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৪১৫তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৯৭ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১৫০ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ২৫ হাজার ৭৮৬টি নমুনা পরীক্ষায় তিন হাজার ৩০৬ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৩৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮৪৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ৪৪০টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৩ লাখ ৭১ হাজার ২৮৭ নমুনা।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন সাত লাখ ৪৮ হাজার ৬২৮ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় চার হাজার ২৪১ জনসহ মোট ছয় লাখ ৬১ হাজার ৬৯৩ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৯৭ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ৬১ জন পুরুষ ও ৩৬ জন নারী। তাদের মধ্যে ৯৩ জনের হাসপাতালে (সরকারীতে ৪৯ জন, বেসরকারীতে ৪৪ জন) মৃত্যু হয়েছে, বাসায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের এবং মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে ১ জনকে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ১১ হাজার ১৫০। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৪৯ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত আট হাজার ১৮১ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং দুই হাজার ৯৬৯ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৯৭ জনের মধ্যে এগারো থেকে বিশ বছর বয়সী এক জন, একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী দুই জন, ত্রিশোর্ধ্ব চার জন, চল্লিশোর্ধ্ব ১০ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২১ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৫৯ জন রয়েছেন। আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৬৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ জন, রাজশাহী বিভাগে চার জন, খুলনা বিভাগে ছয় জন, বরিশাল বিভাগে তিন জন, সিলেট বিভাগে ছয় জন, রংপুর বিভাগে দুই জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে এক জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৪ কোটি ৭৮ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৩১ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১২ কোটি ৫৪ লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন