চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নতুন ভ্যাট আইন হোক সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার

এবারের বাজেটে বেশ বড়সড় কিছু পরিবর্তন আসবে বলে চারদিকে জোর আওয়াজ। ২০১২ সালে পাশ করা ভ্যাট আইন এবার বাস্তবায়ন হবে বলে প্রায় নিশ্চিত আভাস আছে। নতুন ভ্যাট আইন বর্তমানে যে অবস্থায় আছে এবং তার সঙ্গে গণমাধ্যমে যেসব আলোচনা আছে তা কার্যকর হলে নিঃসন্দেহে নতুন ভ্যাট আইন ব্যবসা বান্ধব হবে।

বর্তমানে চালু থাকা ১৯৯১ সালের আইন ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেকগুলো অহেতুক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে রেখেছে যেগুলো নতুন আইনে দূর হবে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসবে সেন্ট্রাল ভ্যাট রেজিস্ট্রেশনে।

বিজ্ঞাপন

বর্তমান আইনে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যতগুলো প্রধান কার্যালয়, বিক্রয় কেন্দ্র, কারখানা এবং গুদাম রয়েছে তার প্রতিটির জন্য আলাদা আলাদা ভ্যাট নিবন্ধন করতে হয়। একটি প্রতিষ্ঠানের ১টি হেড অফিস এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০টি বিক্রয় কেন্দ্র, ৫টি গুদাম, এবং ৩টি কারখানা থাকলে ৯১ সালের আইন অনুযায়ী সে প্রতিষ্ঠানের ১৯টি আলাদা হিসাব কেন্দ্র থাকতে হয় এবং সে সব কেন্দ্র থেকে প্রতি মাসে হাজার হাজার লেনদেনের বিস্তারিত বিবরণ নিকটস্থ ভ্যাট অফিসে জমা দিতে হয়।

এই বিপুল কর্মযজ্ঞ নতুন আইনে থাকবে না। কেন্দ্র থেকে সকল কার্যালয়ের হিসেব-নিকেশের এক প্রস্থ দলিলাদী নিকটস্থ ভ্যাট কার্যালয়ে জমা দিলেই চলবে। এই পরিবর্তন হলে ব্যবসায়ী জগত কতখানী উপকৃত হবে তা লিখে বোঝানো অনেক কঠিন। একমাত্র ভুক্তভোগীরাই (হিসাবরক্ষকগণ) বোঝেন এর যন্ত্রণা কত গভীর।

ফাইল ছবি

৯১ সালের ভ্যাট আইনানুযায়ী, কারখানা থেকে বিক্রয়কেন্দ্রে বা গুদাম থেকে বিক্রয় কেন্দ্রে বা কারখানা থেকে গুদামে পণ্য পাঠানো হলে তাকে বিক্রয় হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং প্রতিটি পণ্যের উপর ভ্যাট দিতে হয়। যদিও এই ভ্যাট পরবর্তি পর্যায়ে ক্রেতার কাছ থেকে বিক্রয়ের সময় ফেরত পাওয়া যায়। ফেরত পাওয়া গেলেও এই পদ্ধতির কারণে অহেতুক দুইগুণ বেশি হিসাব-পত্র রাখতে হয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আদতে এর কোন উপযোগিতা নেই।

এই অহেতুক কাজের গুরুভার থেকে নতুন আইন ব্যবসায় জগতকে রেহাই দিচ্ছে। নতুন আইনে একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি ভ্যাট নিবন্ধন করলে চলবে। প্রতিষ্ঠানের এক কার্যালয় থেকে আরেক কার্যালয়ে পণ্য প্রেরণের সময়ে কোন ভ্যাট দিতে হবে না। ১২ সালের আইনে এই অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সংশোধনটি করে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাহেব স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

মুহিত সাহেব এই বিরাট পরিবর্তনটি করলেও তিনি গো ধরে ছিলেন একই হারে সকল পণ্য ও সেবার উপর থেকে ভ্যাট আদায় করার জন্য। এই গো আসলে তাঁর নয়। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ আমাদের কম সুদে ঋণদানের বিনিময়ে যে সকল সাম্রাজ্যবাদী উদ্দেশ্যাবলী চাপিয়ে দেয় একই হারে ভ্যাট আদায় সে রকম একটা চাপিয়ে দেয়া শর্ত। এই শর্ত নিয়ে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের চাপ স্বত্ত্বেও ১২ সালে আইনটি সংসদে পাশ করান এবং বাস্তবায়ণ করার উদ্যোগ নেন।

ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধের মুখে এবং সামনে নির্বাচনের কারণে সে যাত্রা বাস্তবায়ণ থেকে বিরত থাকেন। ১৭ সালে বাজেটের সঙ্গে তিনি আবার আইনটি বাস্তবায়ণের চেষ্টা করলে আবারো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রচণ্ড বাধা আসে। ১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে টানাপোড়নে যেতে চায়নি রাজনৈতিক সরকার। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পরবর্তী দুই বছরের জন্য আইনটির বাস্তবায়ন স্থগিত করা হয়।

১৭ সালে ব্যবসায়ীদের বাধার সময়ে এটা ঠিক হয়ে যায় যে একই হারে ভ্যাট আদায় সম্ভব হবে না। একই হারে সকল পণ্য ও সেবার উপর ভ্যাট আদায় করা নৈতিক ভাবেই উচিৎ নয়। ভ্যাট মানে হচ্ছে ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স যা বাংলায় মূল্য সংযোজন কর নামে অভিহিত। এই আইনের মূলমন্ত্র হচ্ছেঃ উৎপাদন এবং বিপণনের বিভিন্ন পর্যায় পার হয়ে মূল্য সংযোজন করতে করতে একটি পণ্য বা সেবা ভোক্তার কাছে পৌঁছায় তার প্রতিটি পর্যায়ে ভ্যাট আদায় করা।

কোন পর্যায়ে কতখানী মূল্য সংযোজন হচ্ছে তা সঠিকভাবে নিরূপণ করা আমাদের মত দেশে অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ। সঠিকভাবে মূল্য সংযোজনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে না পারলে অযৌক্তিক পরিমাণ ভ্যাট ধার্য করার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে, কম মূল্য সংযোজন করেছে এমন পণ্যের উপর অধিক পরিমাণে ভ্যাট ধার্য করার সুযোগ বাড়োবে। সর্বোপরি দুর্নীতির সুযোগ বাড়ে যাবে অনেকগুণ।

সঠিকভাবে প্রতিটি পর্যায়ের মূল্য সংযোজন নিরূপণ করতে হলে প্রতিটি ব্যবসায়ীকে পর্যাপ্ত দলিলাদী প্রস্তুত, সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করতে হয় এবং তা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন কোন সফটওয়ারে সকল ব্যবসায়ীর সকল লেনদেনের তথ্যাবলী লিপিবদ্ধ করলে এবং তা কেন্দ্রীয়ভাবে বিচার বিশ্লেষণ করতে পারলে তবেই সঠিকভাবে প্রতিটি পর্যায়ের মূল্য সংযোজন নিরূপণ করা সম্ভব। যে দেশে বেশিরভাগ উৎপাদন এবং বিপণনকারীর ট্রেড লাইসেন্স নেই সে দেশে সহসা এমন নিঁখুত হিসেব করে ভ্যাট আদায় করা এক কথায় অসম্ভব।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এমন উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাদের সাফল্য আসতে অনেক সময় লাগবে। এমন বিস্তারিত ডিজিটাল পদ্ধতি ছাড়া সকল পণ্য ও সেবার উপর একই হারে ভ্যাট আদায় করতে গেলে বহু পণ্য ও সেবার উপর অহেতুক বাড়তি কর আরোপ করা হবে, বাজারে পণ্য ও সেবার দাম বেড়ে যাবে, মূদ্রাস্ফিতি হবে – অর্থনীতিতে বিশৃংখলা সৃষ্টি হবে।

অর্থনৈতিক বিশৃংখলা সৃষ্টি না করে ধীরে ধীরে উৎপাদক, বিপণনকারী নির্বিশেষে সকল ব্যবসায়ীদের এমন কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল ব্যবস্থায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এই ব্যবস্থার সুফল পেতে অনেক সময় লাগবে। এখন শুরু না করলে সেই অনেক সময় কখনোই শেষ হবে না।

তাছাড়া সকল পণ্য ও সেবার মূল্য সংযোজন সমহারে হয় না; সকল পণ্য ও সেবার ক্রেতা বা ভোক্তাগণও একই রকম আর্থ-সামাজিক অবস্থানের নয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়ঃ গরীব মানুষেরা যে রকম দামে জামাকাপড় কেনে সচ্ছল লোকেরা তার থেকে অনেকগুণ বেশি মূল্যের জামাকাপড় কিনে থাকেন যার মূল্য সংযোজনের পরিমাণ অনেক বেশি।

একজনের জন্য জামাকাপড় নিতান্ত প্রয়োজনীয় অন্য জনের কাছে তা বিলাস দ্রব্য। নিতান্ত প্রয়োজনীয় পণ্যের উপর এবং বিলাস দ্রব্যের উপর একই হারে ভ্যাট আদায় যৌক্তিক নয়। দুই রকম ভোক্তা সাধারণের উপর একই হারে ভ্যাটারোপ করলে গরীবের উপর জুলুমটা বেশি হয় যায়; কর আইনের মূলনীতি, “অর্থনৈতিক সাম্য বিধান” ব্যহত হয়।

বর্তমান অর্থমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের ১৭ সালের প্রতিরোধের বিষয় মাথায় রেখে বিভিন্ন বাজেট আলোচনায় একাধিক হারে ভ্যাট আদায়ের বিষয়ে কথা বলছেন। তার বক্তব্যের মাঝে ভ্যাট এবং আয়করের জাল বিস্তৃত করার বিষয়ও স্থান পাচ্ছে। ভ্যাট আইনে বর্তমানে পণ্য ও সেবা ভেদে ০%, ১.৫%, ২.৫%, ৩%, ৪.৫%, ৫%, ৭%, ১০% এবং ১৫% হারে ভ্যাট দিতে হয়। নতুন আইনে ভ্যাট হারের সংখ্যা ৯টি থেকে কমিয়ে ৬টি করা হবে বলে গণমাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। নতুন হারগুলো হবে ০%, ২%, ৫%, ৭.৫%, ১০%, এবং ১৫%। হারের সংখ্যা কমালে একদিকে কর আইনের মূলনীতি, “অর্থনৈতিক সাম্য বিধান” করা কঠিন হয়। অন্যদিকে ভ্যাট আদায় প্রক্রিয়া সহজ হয়।

প্রস্তাবিত হারগুলো বাস্তবায়ণ হলে কোন কোন পণ্য ও সেবার দাম বাড়বে আবার কোন কোন পণ্য ও সেবার দাম কমবে। তবে কোন কোন পণ্য ও সেবার দাম বাড়বে বা কমবে তা বাজেট ঘোষণার আগ পর্যন্ত তা সরকার গোপন রাখে। তবুও কিছু কিছু তথ্য সংবাদ মাধ্যমে চলে আসছে। বাজেট ঘোষণার আগে চুরি করে খবর সংগ্রহ করে তা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা নৈতিক বলে মেনে নেয়া যায় না।

বর্তমানে ১৫% এর কম হারে যেসব ক্ষেত্রে ভ্যাট দিতে হয় সে সব ক্ষেত্রে পণ্য উৎপাদন বা বিপণন পর্যায়ে পরিশোধিত ভ্যাট রেয়াত বা ফেরত পাওয়া যায় না। এই বিধান নতুন আইনেও বলবত থাকবে বলে আলোচনা হচ্ছে। এই বিধানটি কর আইনের মূলনীতি, “অর্থনৈতিক সাম্য বিধান” এবং অপর নীতি, “করের উপর করারোপ নয়” এর পরিপন্থী। ভ্যাট আইন যেহেতু পণ্য ও সেবা উৎপাদন এবং বিপণনের প্রতিটি পদক্ষেপে ভ্যাট আদায় করে তাই পূর্ববর্তী পর্যায়ে পরিশোধিত ভ্যাটের রেয়াত নেয়ার সুবিধা না থাকলে তা করের উপর কর ধার্য করে থাকে।

এতে পণ্যের দাম বেড়ে যায়; ভোক্তারা অসুবিধায় পরে, মূদ্রাস্ফিতি বাড়ে। ভ্যাটের হার একটা বা একাধিক যাই হোক না কেন করের উপর করারোপ করা যাবে না; অহেতুক পণ্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি করা যাবে না। একই ভোক্তার উপর করাঘাত না বাড়িয়ে ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর আহরণ বাড়াতে হবে।

অগ্রীম ভ্যাটের আওতা বাড়বে নতুন আইনে। বর্তমানে ভ্যাটযোগ্য পণ্য আমদানীর সময় অগ্রীম ভ্যাট দিতে হয়। নতুন আইনে শুধু আমদানী ক্ষেত্রেই নয়, সকল পণ্যের ক্ষেত্রে অগ্রীম ভ্যাট দিতে হবে বলে গণমাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। একটি পণ্য বা সেবার উৎপাদন পর্যায়ে যে সকল উপাদান (কাঁচামাল ও সেবা) প্রয়োজন হয় তা সংগ্রহ করার সময় উৎপাদককে ভ্যাট প্রদান করতে হয়। উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিক্রয় করার সময় উৎপাদক ক্রেতার নিকট থেকে প্রযোজ্য হারে বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট সংগ্রহ করে থাকে। ক্রেতার কাছ থেকে সংগ্রহীত ভ্যাট থেকে নিজের দেয়া ভ্যাট বাদ দিয়ে উৎপাদক বাকী টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দেন।

এ ব্যবস্থায় কাঁচামাল সংগ্রহ করার সময় দেয়া ভ্যাট বাস্তবিক অর্থে অগ্রীম হিসেবে প্রদান করা হয়ে থাকে। আমদানী পর্যায়ে সাধারণ ভ্যাটের সঙ্গে অগ্রীম ভ্যাট আদায় করার পক্ষে একটা যুক্তি এরকম যে অনেক আমদানীকারক সঠিকভাবে ভ্যাট প্রদান করে না বিধায় একরকম জোর করে পণ্য আমদানীর সময় বিক্রয়ের উপর যে ভ্যাট আরোপ হওয়ার কথা তা অগ্রীম নিয়ে নেয়া যায়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বিস্তারিত বিবরণ না থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ের সময় নিয়মিত ভ্যাটের সঙ্গে অগ্রীম ভ্যাট কিভাবে আদায় করা যাবে তা বোধগম্য হচ্ছে না। যে পদ্ধতিতেই নেয়া হোক না কেন পণ্য বিক্রয়ের আগে ভ্যাট আদায় করা যৌক্তিক হবে না।

নতুন ভ্যাট আইনটি সাত বছর ধরে পড়ে আছে। একই হারে সকল পণ্য ও সেবার উপর ভ্যাট আদায় করার বিষয়ে পূর্ববর্তী সরকারের গো ধরে থাকার কারণে বাস্তবায়ন করা যাচ্ছিল না ফলে নতুন আইনের সুবিধাগুলো থেকে নিয়মিত সঠিক পদ্ধতিতে এবং সঠিক হারে ভ্যাট প্রদান করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো বঞ্চিত হচ্ছিল। সরকার এক হার থেকে বহু হারে সরে এসেছে। ব্যবসায়ীরাও তা মেনে নিয়েছে। এখন সকল হারে প্রদেয় ভ্যাট থেকে কাঁচামাল এবং অন্যান্য সহযোগী পণ্য ও সেবা ক্রয় পর্যায়ে যে ভ্যাট দেয়া হয়েছে তার রেয়াত এর ব্যবস্থা, অগ্রীম ভ্যাট আরোপ না করাসহ কিছু আপদ বাদ দিয়ে ভ্যাটের পরিধি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ভ্যাট আদায় বাড়িয়ে আইনটি কার্যকর করা দরকার।

ভ্যাটের পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই সামাজিক ন্যায় বিচার সুসংহত এবং কর আইনের মূলনীতিগুলো অক্ষুণ রাখতে হবে। সবকিছুর উপর নিশ্চিত করতে হবে যে নতুন আইন যেন দরিদ্র মানুষের উপর ইতোমধ্যে আরোপিত করের বোঝা লাঘব করে এবং কোনভাবে নতুন কোন কর না চাপায়।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Bellow Post-Green View