চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ধর্ষণ মামলার দ্রুত ন্যায় বিচার নিশ্চিতের উপায়: একটি পর্যালোচনা

বর্তমানে দেশে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিতে সকল পেশার মানুষ স্বোচ্চার। ২০১৭ ও ২০১৮ সালের তুলনা ২০১৯ সালে ধর্ষণের ঘটনা প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন কি বর্তমান করোনাকালেও ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের হিসাব মতে ২০১৯ সালে ১৭০৩ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তন্মধ্যে ২৩৭ জনকে গণধর্ষণ ও ৭৭ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ১৯ জন নারী ধর্ষণের ঘটনার ফলে পরবর্তীতে আত্মহত্যা করেন। ২৪৫ জনকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়া ২০১৯ সালে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হন মোট ৪,৬২২ জন নারী ও শিশু। বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম এর ২০১৯ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী গত ০১ বছরে শিশুদের ক্ষেত্রে যৌন হয়রানী ও নির্যাতনের ঘটনা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে প্রতিমাসে গড়ে ৮৪ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হন এবং ২০১৯ সালে ৪,৩৮১ জন শিশু বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

করোনাকালে যৌতুকজনিত নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন, বাল্যবিয়েসহ নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বেড়েছে ৬৫ ভাগ। কেউ বলছেন, ধর্ষণের অনেক খবর হয়তো থেকে যাচ্ছে করোনার আড়ালে। তবে গণমাধ্যমে সে চিত্র এসেছে, তা উদ্বেগজনক। ১২ মার্চ ধর্ষণের মামলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি এক স্বজনের বাসায় নিয়ে এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে দুই ছাত্রের একজন। ১৪ মার্চ কুমিল্লা সদরে সাড়ে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরকে টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। ২৩ মার্চ পাবনায় এক ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। একই দিন নওগাঁয় এক কিশোরীকে (১৬) গণধর্ষণের অভিযোগে তিন তরুণ গ্রেপ্তার হয়। ২৬ মার্চ যশোর সদরে নিজের চার বছর বয়সী মেয়েকে ৪৫ বছর বয়সী বাবা ধর্ষণ করলে মায়ের মামলায় ওই বাবা গ্রেপ্তার হয়। ২৬ মার্চ গফরগাঁওয়ে এক মসজিদের মুয়াজ্জিন ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা করে। [সূএ: সমকাল, জুন ০৬, ২০২০]

বিজ্ঞাপন

এভাবে মার্চের শেষে জামালপুরে করোনা আক্রান্ত রোগী তল্লাশির অজুহাতে ঘরে ঢুকে এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে পাঁচ বখাটে। গত মার্চে ফেনীর সোনাগাজীতে ডাকাতি করতে গিয়ে ০২ জন ডাকাত কর্তৃক কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে কেরানীগঞ্জে ত্রাণ নিতে গেলে ঘরে আটকে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হয়। কেবল ঢাকা মহানগরে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ৯টি ধর্ষণের মামলা হয়েছে। গত ১৯ জুলাই ফেনীর ফুলগাজীতে ০৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরকে টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

বিজ্ঞাপন

করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনে আগের তুলনায় নারী ও শিশুর ওপর নির্যাতন বেড়েছে। গত এপ্রিল মাসের তুলনায় মে মাসে নারী ও শিশুর ওপর নির্যাতনের বেড়েছে শতকরা ৩১ শতাংশ, এই তথ্য জানায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এর ‘টেলিফোন কুইক সার্ভিস’ নামে এই প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের ৫৩টি জেলায় মে মাসে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন মোট ১৩ হাজার ৪৯৪ জন নারী ও শিশু। এপ্রিল মাসে শুধু নারী নির্যাতন হয়েছিল দুই হাজার ৪৫৫ জন। নারী নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, পারিবারিকভাবে নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১১ হাজার ২৫ জন, যৌন নির্যাতনের শিকার ১৭৯ জন, ত্রাণ সংগ্রহসহ বিভিন্ন কারণে যৌন হয়রানির শিকার ৫৪ জন, ধর্ষণ ও ধর্ষণের ঘটনা ৪৮টি, যৌন নির্যাতন ও খাদ্য সংগ্রহসহ বিভিন্ন কারণে হত্যা করা হয় ১৭ জনকে। মে (2020) মাসে শিশু নির্যাতন (কর্মক্ষেত্রে) হয়েছে ৬৭টি, ধর্ষণ ১৯টি, ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ১২টি, হত্যার ঘটনা ১৯টি এবং অপহরণ করা হয়েছে ২১ জন শিশুকে।[সূএ: বাংলা ট্রিবিউন, জুন ১০, ২০২০]

বাংলাদেশের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন এর বিচারের লক্ষ্যে ২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন প্রণয়ন করা হয়। ২০০৩ সালে উক্ত আইনের সংস্কার করে বিশেষ সংশোধনী আনা হয়। উক্ত আইনের অধিনে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচারের লক্ষ্যে জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০১৮ সালে নতুন করে ৪১ টি ও ২০২০ সালে আরো ০৬টি ট্রাইব্যুনাল বৃদ্ধি করা হয়। বর্তমানে ১০১টি ট্রাইব্যুনালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধিন দায়েরকৃত প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার মামলার বিচার কার্যক্রম চলমান আছে। উক্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে প্রত্যেকটি ট্রাইব্যুনালে গড় বিচারাধীন মামলার হার প্রায় ১৬৮৩ হয়। এছাড়া উক্ত ট্রাইব্যুনালগুলো অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে শিশু আদালতের দায়িত্বে আছে। ১০১টি ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এই বিপুল সংখ্যক মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব। তারপরও সাম্প্রতিককালে সময়কালে দেশব্যাপী চাঞ্চল্যকর নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলা, রুপা গণধর্ষণ ও হত্যা মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলায় দৃষ্টান্ত হিসাবে দ্রুত গতিতে নিষ্পত্তি করা হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ পর্যালোচনায় দেখা যায়, উক্ত আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী দ্য পেনাল কোড, ১৮৬০ এর ৩৭৫ ধারায় বর্ণিত ধর্ষণের সংজ্ঞাকে নতুন করে নির্ধারণ পূর্বক শাস্তি বর্ধিত করা হয়। উক্ত আইনের ৯(১) উপ-ধারা মতে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত আসামী যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। ৯(২) উপ-ধারা মতে ধর্ষণের ফলে মৃত্যু হলে বা ধর্ষণ পরবর্তীকালে কোন কারণে ভিকটিমের মৃত্যু হলে অভিযুক্ত আসামী কে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। উক্ত আইনের ৯(৩) উপ-ধারা মতে গণধর্ষণ করা হলে এবং ধর্ষণের ফলে ভিকটিম এর মৃত্যু হলে বা ভিকটিম আহত হলে গণধর্ষণে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক আসামীকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ইহার অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। এছাড়া ধর্ষণের চেষ্টার জন্য ও ভিকটিম কে আহত করার জন্য ৯(৪) উপ-ধারায় পৃথক শাস্তির বিষয় বর্ণিত আছে। উক্ত আইনে প্রতারণা ও প্ররোচিত করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন কে ধর্ষণ হিসাবে সংজ্ঞায় অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২০ ধারা মোতাবেক বিশেষভাবে দ্রুত বিচার করার লক্ষ্যে শুধু ট্রাইব্যুনালে এই মামলার বিচার কার্যক্রম চলবে। ২০(২) উপ-ধারা মোতাবেক ট্রাইব্যুনাল প্রতি কর্মদিবসে একটানা বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশনা আছে। ২০(৩) উপ-ধারা মোতাবেক ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পাদন করার নির্দেশনা আছে। দেশে বর্তমানে যে হারে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে, সেক্ষেত্রে বিদ্যমান ১০১ টি ট্রাইব্যুনাল দিয়ে আইনের নির্দেশনা মোতাবেক ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পূর্ণ করা বাস্তবসম্মত নয়।

এছাড়া মামলার বিচারের ক্ষেত্রে সাক্ষী ও প্রমাণ উপস্থাপন একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বাংলাদেশে বিদ্যমান আইনে সাক্ষী সুরক্ষায় এবং সাক্ষী উপস্থাপনের ক্ষেত্রে কার্যকর কোন আইন নাই। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সরকার কর্তৃক নিয়োজিত কৌশুলীগণ। উক্ত কৌশুলীগণ দ্রুত বিচার নিশ্চিতের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ভূমিকা না রাখায় ট্রাইব্যুনালের পক্ষে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয় না। স¤প্রতি বেশকিছু আলোচিত মামলায় দেশের আদালতগুলো দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাবে, তদন্তকারী সংস্থা এবং রাষ্ট্রপক্ষে নিয়োজিত কৌশুলী বিশেষ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। সময়মত সাক্ষী উপস্থাপন করায় এবং রাষ্ট্রপক্ষের সক্রিয় তৎপরতা থাকায় উক্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়। অর্থাৎ আদালত কে যথাযথ আইন মোতাবেক সহায়তা করলে বাংলাদেশ বিচার বিভাগ ন্যায় বিচার নিশ্চিতে অনন্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের চেয়েও শক্তিশালী ও কার্যকর। ভারতে ধর্ষণের বিচার দ্য পেনাল কোডের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী স্বাভাবিক আদালতে বিচার হয়। স¤প্রতি ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট একটি মামলায় ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন ও শিশুদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ টি মামলার জন্য বিশেষ আদালত গঠনের নির্দেশ প্রদান করেন। উক্ত নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ধর্ষণ ও যৌন অপরাধের ক্ষেত্রে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে ২০১৯ সালে একটি বিশেষ স্কিম গাইডলাইন প্রণয়ন করে। উক্ত স্কিমের আওতায় ভারত সরকার সুপ্রীম কোর্টের পরামর্শক্রমে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট হিসাবে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার মামলার জন্য ১০২৩ টি বিশেষ কোর্টের অনুমোদন প্রদান করে এবং গড় হিসাবে প্রতিটি কোর্টের জন্য প্রায় ১৬৭ টি মামলা বরাদ্দ করা হয়। উলে¬খ্য যে, ইতিপূর্বে স্থাপিত প্রায় ১৮০০ টি বিশেষ আদালত এর কার্যক্রমও চলমান আছে। নতুন অনুমোদিত ১০২৩ টি কোর্ট শুধুমাত্র ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন এবং শিশুদের বিরুদ্ধে করা নির্যাতনের মামলা নিষ্পত্তি করবে।

গত ডিসেম্বর, ২০১৯ ভারতের হায়দ্রাবাদে পশু চিকিৎসক কে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করায় সমগ্র ভারত ব্যাপী আন্দোলন শুরু হয়। উক্ত প্রেক্ষাপটে অন্ধপ্রদেশ সরকার ‘দিশা আইন’ নামক দুইটি বিশেষ আইন তৈরী করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের বিষয়ে বিশেষ তদন্ত সংস্থা এবং আদালতের বিধান প্রবর্তন করেন। উক্ত আইন অনুসারে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্যক্রম নিষ্পত্তি করে মামলার রায় ঘোষণা করার বিধান আছে। অন্ধপ্রদেশ সরকার ইতিমধ্যে ৩৬ টি বিশেষ আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে।

বাংলাদেশে বর্তমান হারে যেভাবে যৌন সহিংসতা এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে, সেক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর বাস্তব প্রয়োগের লক্ষ্যে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা অনুপাতে পর্যাপ্ত ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সুপ্রীম কোর্টের সম্বনয়ে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা প্রয়োজন। এছাড়া বিচার দ্রুত নিশ্চত করার উদ্দেশ্যে শুধু ধর্ষণ মামলার জন্য বিভাগীয় শহরে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা যেতে পারে।

রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষী উপস্থাপন ও যথাযথ সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা আবশ্যক। উক্ত বিষয়ে ইতিপূর্বে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক কয়েকটি রায়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে। সার্বিকভাবে বলতে গেলে আমাদের একটি উন্নত ও কার্যকর আইন থাকার পরও তার যথাযথ প্রয়োগের অভাবে বিচারের দাবীতে ছাত্র, শিক্ষক ও গণমানুষ কে রাস্তায় আন্দোলন করতে দেখা যায়। কেবল আইনের যথাযথ প্রয়োগই ধর্ষণের মত ঘটনায় ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে পারে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)