চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ১০১ জনের মৃত্যু

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৪০৫তম দিনে নতুন ১০১ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৮২ জন। এটি এখনও পর্যন্ত একদিনে করোনায় মৃত্যুর সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে গত বুধবার সর্বোচ্চ ৯৬ জনের মৃত্যু হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় চার হাজার ৪১৭ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‍শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ১৮ হাজার ৯০৬টি নমুনা পরীক্ষায় চার হাজার ৪১৭ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৩৮ লাখ ২৪ হাজার ২৩৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৩ লাখ ১০ হাজার ২৩৯টি নমুনা। অর্থাৎ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৮টি নমুনা।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন সাত লাখ ১১ হাজার ৭৭৯ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ৬৯৪ জনসহ মোট ছয় লাখ দুই হাজার ৯০৮ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১০১ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে জন ৬৭ জন পুরুষ ও ৩৪ জন নারী। তাদের মধ্যে ৯৪ জন হাসপাতালে ও সাত জনের বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ১০ হাজার ১৮২। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত সাত হাজার ৫৬৬ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৪ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং দুই হাজার ৬১৬ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ১০১ জনের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব সাত জন, চল্লিশোর্ধ্ব আট জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২৩ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৬৩ জন রয়েছেন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ জন, রাজশাহী বিভাগে তিন জন, খুলনা বিভাগে পাঁচ জন, বরিশাল বিভাগে চার জন, সিলেট বিভাগে এক জন, রংপুর বিভাগে ছয় জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে তিন জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৩ কোটি ৯৮ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৩০ লাখ দুই হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১১ কোটি ৮৮ লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন