তীব্র তাপপ্রবাহে কয়েকদিন ধরে নাকাল ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের মানুষ। এখনই এর থেকে রেহাই মিলবে না বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের একাধিক অঞ্চল দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলমান থাকলেও দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৯৭২ সালে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে এসব জানা গেছে।
দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে প্রকৃতি পুড়ছে এই তাপদাহে। মৃদু থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহে হাঁপিয়ে উঠেছে খেটে খাওয়া মানুষ। অসহনীয় গরম আর তাপদাহে বিমর্ষ প্রাণ প্রকৃতি। এখন বৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির ছন্দে স্বস্তিতে ফেরার প্রার্থনা সবার।
চলতি বছরে রেকর্ড সর্বোচ্চ উষ্ণতম দিন পার করলেন চুয়াডাঙ্গাবাসী। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরআগে এ বছর রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল গত ২০ এপ্রিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দেশের একাধিক অঞ্চল দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলমান থাকলেও আবহাওয়া অধিদপ্তরের রেকর্ড বলছে, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে। সেই দিন রাজশাহীতে স্বাধীনতার পর রেকর্ড সর্বোচ্চ ৪৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। এছাড়া ২০১০ সালে রাজশাহীতে পারদ উঠেছিল ৪২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
আর ১৯৬০ সালের এপ্রিলে ঢাকায় তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা ঢাকার ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ১৯৬০ সালের পরে ঢাকায় এটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে ৪০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৪ সালের ২৪ এপ্রিলেও তাপমাত্রা ৪০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল।








