চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দুই সেঞ্চুরির ম্যাচে ‘১০৯’কে হারাল ‘অপরাজিত ১০০’

রাব্বির হ্যাটট্রিক

প্রথম ইনিংসেই ম্যাচের উত্তাপ মাত্রা ছাড়িয়েছে! বঙ্গবন্ধু টি-টুয়েন্টি কাপে প্রথম সেঞ্চুরি এসেছে নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে। মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী পেয়েছে ২২০ রানের সংগ্রহ। জবাবে ফরচুন বরিশালও পেরিয়েছে দুইশ। ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের অপরাজিত ১০০ রানে ম্যাচ জিতেছে ৮ উইকেটে।

বরিশাল হারলে প্লে-অফের আশা ধূসর হয়ে যেত। জয়ে সুযোগ থাকলে সেরা চারের। শেষ দুই ম্যাচে সাফল্য ধরে রাখতে হবে তাদের। হারের পর রাজশাহী নিজেরাও ভালোভাবেই আছে প্লে-অফের দৌড়ে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

শান্তর সেঞ্চুরির ম্যাচে কামরুল ইসলাম রাব্বি হ্যাটট্রিক করেছেন। তার সাফল্যকে জয়ের রূপ দিলেন পারভেজ। রানতাড়ায় নেমে উদ্বোধনীতে সাইফ হাসান (২৭, ১৫ চারে দুটি করে চার-ছয়) ও তামিম ইকবাল ২৭ বলে ৪৪ রান এনে দেন।

অধিনায়ক তামিমের সঙ্গে পরে যোগ দেন পারভেজ। দুজনে ১১৭ রান এনেছেন জুটিতে, সেটি মাত্র ৪৭ বলে। তামিম ৫ চার এক ছয়ে ৩৭ বলে ৫৩ করে সাজঘরে হাঁটা দেন।

পারভেজকে আউট করতে পারেনি রাজশাহী। ঠিক ১০০ করে অপরাজিত থাকেন যুব বিশ্বকাপজয়ী দলে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ৪২ বলে ৯ চার ৭ ছক্কায় সাজানো ইনিংস তার।

পারভেজের সঙ্গে ম্যাচ শেষ করে আসার কৃতিত্ব পাবেন আফিফ হোসেনও। আফিফ ৩ চারে ১৬ বলে ২৬ করে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন। দুজনের ৬০ রানের জুটি ৪০ বলে।

বিজ্ঞাপন

দিনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পারভেজের ব্যাটে। তার আগে শান্তর ঝড় দেখেছে মিরপুর। বঙ্গবন্ধু টি-টুয়েন্টি কাপে যেটি প্রথম সেঞ্চুরি। রাজশাহীর অধিনায়ক ৫২ বলে ছুঁয়েছেন তিনঅঙ্ক। পেসার তাসকিনকে মিডউইকেট দিয়ে ছক্কা মেরে।

৫৫ বলে ১০৯ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে শেষ ওভারে আউট হন ওপেনার শান্ত। মারেন ১১টি ছক্কা, চারটি চার।

এ বাঁহাতির দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও আনিসুল ইসলাম ইমনের ফিফটিতে (৬৯) রাজশাহী ৭ উইকেট হারিয়ে তোলে ২২০ রান। এবারের আসরে সেটি এখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহে নেমে গেছে বরিশালের ২২১-এর পর। শান্ত-আনিসুলের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১৩১ রান, ৭৪ বলে।

জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু বিপিএলে টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন শান্ত। মিরপুরেই খুলনা টাইগার্সের হয়ে ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে খেলেছিলেন ৫৭ বলে ১১৫ রানের ইনিংস।

সেটি ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু আউট হয়ে যান শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে। বরিশালের পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি শেষ ওভারের প্রথম বলে আউট করেন নুরুল হাসান সোহানকে। তৃতীয় বলে ফরহাদ রেজাকে ফিরিয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক। এক বল বিরতি দিয়ে আরও একটি উইকেট নেন রাব্বি। শেষ ওভারে ১০ রান তুলেও ৪ উইকেট হারায় রাজশাহী।

ওপেনিং জুটিতে রাজশাহীর রান, এবারের আসরে যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ জুটি। শান্তর সেঞ্চুরি দিনে তার সঙ্গী ইমন করেন ৩৯ বলে ৬৯ রান। সাতটি চার ও তিনটি ছয়ের মারে সাজানো ছিল তরুণের ইনিংসটি।