চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দুই বাংলার যৌথ সংগীতানুষ্ঠানে মুগ্ধ শ্রোতাদর্শক

সম্প্রতি বাংলাদেশের ‘ওস্তাদ শাহাদাত হোসেন খান মিউজিক ফাউন্ডেশনের‘ এবং ভারতের (কলকাতা) ‘আশিষ খান স্কুল অব ওয়ার্ল্ড মিউজিক‘ এর সহযোগিতায় সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যা মুগ্ধ করেছে দুই বাংলার শ্রোতাদর্শকদের।

গুরু বিদূষী আমিনা পেরেরা খান এর ৭৪ তম জন্মদিন উপলক্ষে এই ডিজিটাল কনসার্টের আয়োজন করা হয়। গুরু বিদূষী আমিনা পেরেরা ছিলেন উস্তাদ আলাউদ্দীন খানের দৌহিত্রী এবং উস্তাদ আলী আকবর খানের কন্যা এবং একজন চমৎকার সংগীতজ্ঞ এবং অসাধারণ শিক্ষক যিনি কখনোই তার সংগীতের জ্ঞান দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে পছন্দ করেননি বরং তার ছাত্রদের মধ্যে জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে বিশ্বাস করতেন।

বিদূষী আমিনা পেরেরা খান ২০১৬ সালের ২৭ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

বিজ্ঞাপন

অংশগ্রহণকারীদের বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আফসানা খান (সিতার), রুখসানা খান (সরোদ), আবরার তারিক (ভায়োলিন), তানিম হায়াত খান রাজিত (সরোদ), জাকির হোসেন (তবলা) এবং উনার ছাত্র পারভেজ খান রুবেল (সরোদ)। ভারত থেকে অংশগ্রহণ করেন সিরাজ আলী খান (সরোদ), দ্বীপ্তনীল ভট্টাচার্য (সরোদ), অমিতাভ মজুমদার (কণ্ঠ), আশিস রায়, দিশারী চক্রবর্তী (সন্তুর), অতীশ মুখোপাধ্যায় (সরোদ), রণজিৎ সেনগুপ্ত (সরোদ) পরিবেশনা করেন।

অনুষ্ঠানে তাকে স্মরণ করে বক্তব্য রাখেন তার মেয়ে ররাকি শ্রী ইলেপারুমা , তার ভাই বিশিষ্ঠ সরোদ বাদক ওস্তাদ আশিষ খান , বিলাস খান, সাহানা গুপ্তা খান , আয়শা খান , সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়, ও বিশিষ্ঠ তবলা বাদক বিক্রম ঘোষ।

এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলদেশের মিউজিক এলায়েন্স ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্টাতা মেহ্জাবীন রহমান নাভা। তিনি জানান, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুটি ভিন্ন দেশের দুটি সংগঠন এবং উভয় দেশের সংগীতশিল্পীরা তাদের সাংস্কৃতিক অধ্যয়ন বিনিময় এবং একসঙ্গে অনুষ্ঠান উদযাপন করার সুযোগ পেয়েছে। ভবিষ্যতে ‘ম’ ফাউন্ডেশন আরো বড় পরিসরে ও ধরনের পরিবেশনা উপস্থাপন করবে বলে মেহ্জাবীন রহমান নাভা ব্যক্ত করেন।

রাগ বাগেশ্রী , ভৈরবী , ভীমপালাশ্রী , ইমন কল্যাণ , দেশ মালহার , কাফী ,ইত্যাদি রাগের পরিবেশনায় দুই বাংলার শিল্পীদের অংশগ্রহণে এই অনুষ্ঠানটি শ্রোতাদের কাছে হয়ে উঠে অনবদ্য ও স্মরণীয় ।

বিজ্ঞাপন