চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জি কে শামীমের মায়ের নামে ১৪০ কোটি টাকা

অবৈধ অর্থের উৎস জানতে মানি লন্ডারিং মামলা করবে র‍্যাব

যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জি কে শামীমকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।

তিনি বলেন: জি কে শামীমের মায়ের কোনো ব্যবসা নেই, কিন্তু তার নামে ১৪০ কোটি টাকার এফডিআর ছিল। যে সাতটি অস্ত্র পাওয়া গেছে এগুলো চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। জব্দ করা টাকা ঠিকাদারি ব্যবসার আড়ালে অবৈধ উপায়ে আয় করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া শামীমের অস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগ ছিল বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

শুক্রবার বিকেলে জি কে শামীমের রাজধানীর নিকেতনে ৫ নম্বর সড়কের ১৪৪ নম্বর ভবনে অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।

এসময় তিনি বলেন: উনি যদি এসব অভিযোগকে আদালতে মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেন তাহলে ছাড়া পাবেন। আর যদি ওনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সত্য হয় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর বিষয়গুলো আমরা তদন্ত করে দেখছি। এ বিষয়ে পরে আর বিস্তারিত জানানো হবে।

বিজ্ঞাপন

সারোয়ার আলম বলেন: জি কে শামীম কোনো দলের সদস্য কিনা তা আমরা জানি না। এ বিষয়ে দলীয় নেতারা সিদ্ধান্ত নেবেন। তারা তাকে দোষী পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে র‍্যাবের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম বলেন: গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি জি কে শামীমের কাছে কিছু অর্থ ও অস্ত্র রয়েছে। এছাড়া তিনি চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিতে ব্যস্ত ছিলেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তার বাসা ঘেরাও করি। এ সময় তার সাত জন বডি গার্ডকে আটক করি। তাদের কাছ থেকে সাতটি শর্টগান জব্দ করা হয়। বিপুল পরিমাণ মানে গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্য নিয়ে আমরা তার অফিসে অভিযান পরিচালনা করি।

তিনি বলেন: তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণে টাকা উদ্ধার করা হয়। যার পরিমাণ ১ কোটি টাকার বেশি। ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ১৪০ কোটি টাকার এফডিআর তার মায়ের নামে আর বাকিগুলো তার নামে। কিছু মাদক পেয়েছি এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া গেছে। শামীমসহ আট জনকে আমরা আটক করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা অবশ্যই স্বীকার করি তার ঠিকাদারি ব্যবসা আছে। কিন্তু তার নামে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণে অর্থ আমরা মানিল্ডারিং আইনে ফেলব। আমরা তদন্ত করে দেখব তার কাছে এতো টাকা কিভাব এসেছে।

শেয়ার করুন: