চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘জিজ্ঞাসাবাদ নয়, তথ্য সংগ্রহে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গেছে পুলিশ’

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নয়, জেকেজি হেলথ কেয়ারের প্রতারণা মামলার তদন্তে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য সংগ্রহ করতে তদন্ত কর্মকর্তারা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। 

বৃহস্পতিবার অনানুষ্ঠানিক এক ব্রিফিয়ে এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম ও জনসংযোগ) মো. ওয়ালিদ হোসেন।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম বলেন, বুধবার করোনা পরীক্ষার বিষয়ে জেকেজি হেলথ কেয়ারকে অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে কিছু কাগজপত্র চেয়ে অধিদফতরে যায়, কী কী বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তা জানতেই সেখানে যাওয়া।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

জেকেজির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের (পদত্যাগকৃত) মহাপরিচালক  অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ এবং অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা সঙ্গে যোগাযোগ করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। জেকেজি প্রতিষ্ঠানটিকে করোনা পরীক্ষার অনুমোদন দেয়ার বিষয়ে অধিদফতরের কিছু কাগজপত্র চায়। বুধবার বিকেলে গোয়েন্দা পুলিশের একজন উপ-কমিশনারের নেতৃত্বে একটি টিম স্বাস্থ্য অধিদফতরে গিয়ে জেকেজি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে নথি দেখে বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই করেন।

ডিবির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডা. সাবরিনাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে দ্রুত চার্জশিট দেয়া হবে। এ মামলায় যে শাস্তি হয়, সাবরিনা ও তার সহযোগীদের জন্য তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হবে বলে জানাচ্ছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

আইনজীবীরা বলছেন, অভিযোগ প্রমাণ হলে ডা. সাবরিনার সাত বছরের কারাদণ্ডও হতে পারে। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা তাদের সর্বোচ্চ তৎপরতা চালানোর চেষ্টার কথাই বলছেন।