চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জালনোট তৈরির কারখানার অর্থদাতা একাধিক মামলার আসামি শাহিন

জালনোট তৈরি চক্রের এক নারীসহ ৫ সদস্য আটক 

রাজধানীর পুরান পল্টনের একটি ভবনের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলা ভাড়া নিয়ে জালনোট তৈরির কারখানা গড়ে তুলে একটি চক্র। এই কারখানার অর্থদাতা একাধিক মামলার আসামি শাহিন।

এছাড়াও অন্যান্য সদস্যরা কেউ প্রিন্টম্যান, কেউ আবার জালনোটের বিশেষ কাগজ প্রস্তুত করতো।

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর পল্টনের একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে জালনোট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি সহ একটি চক্রের ৫ সদস্যকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের গুলশান বিভাগের একটি টিম।

আটক সদস্যদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ ও ১ জন নারী সদস্য রয়েছে। আটক আসামিরা হলো- কারখানার অর্থদাতা শাহিন, হান্নান, কাওসার, আরিফ, ইব্রাহিম ও নারী সদস্য খুশি।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার বিকাল ৩ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত রাজধানীর পুরান পল্টনে বিএনপির পার্টি অফিসের দক্ষিণ পাশের একটি ভবনের ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলায় এই অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) মো. মশিউর রহমান চ্যানেল আই অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওই ভবনের ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা থেকে প্রায় ৫/৬ কোটি জালনোট তৈরির মতো মালামাল ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। এই সঙ্গে তৈরিকৃত ৫৭ লাখ টাকা মূল্যের জালনোট জব্দ করা হয়।’

গোয়েন্দা পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘পুরানা পল্টনের ওই ভবনের পঞ্চম এবং ষষ্ঠ তলা ভাড়া নিয়ে চক্রের সদস্যরা জালনোট তৈরির কারখানা গড়ে তোলে। এই চক্রটি ঈদের পর থেকে এই কারবার শুরু করে আসছিল।’

আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, ‘জালনোট তৈরির এই কারখানার অর্থদাতা ছিলো আটক শাহিন। সে একাধিক মামলার আসামি। আটক হান্নান প্রিন্টম্যান হিসেবে কাজ করতো। এছাড়াও জালনোটের বিশেষ কাগজ প্রস্তুতকারক ছিলো কাওসার। পুরো কারখানার ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালনে ছিল আরিফ। ছাপা জালনোট বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দেয়ার দায়িত্বে ছিল ইব্রাহিম এবং নারী সদস্য খুশি।’

তিনি বলেন, ‘আটক অপর আসামিরাও এর আগে একই অভিযোগে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিল। আটক আসামিদের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’