চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জামিন পাননি রিয়া, থাকতে হচ্ছে জেলেই

সুশান্ত মামলার সঙ্গে জড়িত মাদককাণ্ডে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার হয়েছেন রিয়া চক্রবর্তী। এদিন তার আইনজীবীরা জামিন চেয়েও পাননি। ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত মঞ্জুর করলেন ম্যাজিস্ট্রেট।

মঙ্গলবার রাতেই সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে রিয়া চক্রবর্তীকে। বুধবার সেশন কোর্টে পুনরায় রিয়ার জামিনের আবেদন করবেন আইনজীবীরা।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) হাতে গ্রেপ্তার হন রিয়া। এরপর মুম্বাইয়ের সাইন হাসপাতালে মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয় তার। সেখান থেকে আবার এনসিবির কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয় তাকে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এদিন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হয় রিয়া চক্রবর্তীকে।

বিজ্ঞাপন

এনসিবির তরফে রিয়ার কাস্টডি রিমান্ড দাবি করা হবে না, সে কথা আগেই জানিয়েছিলেন সংস্থার ডেপুটি জেনারেল এমএ জৈন। এনসিবির তরফে রিয়ার ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের দাবি করা হয়েছিল। তা মঞ্জুর করা হয়।

এনসিবি তাদের অফিশিয়াল বক্তব্যে জানিয়েছে, রিয়া নিজের জবানবন্দিতে যা বলেছেন সেটা ওকে গ্রেপ্তারের জন্য যথেষ্ট। আমরা যখন তাকে গ্রেপ্তার করেছি তখন আমাদের কাছে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে।

রিয়ার কাছ থেকে কোনওরকম নিষিদ্ধ মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়নি সেটিও পরিষ্কার করে দেন এমএ জৈন। কী ধরণের প্রমাণ মিলেছে রিয়ার কাছ থেকে, তা নিয়ে অবশ্য মুখ খোলেনি এনসিবি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে, তাই এই নিয়ে কোনও মন্তব্য নয় জানান এমএ জৈন।

ভারতীয় এনডিপিএস আইনের আওতায় ৮ (সি), ২০ (বি), ২৭ (এ), ২৮, এবং ২৯ নম্বর ধারায় গ্রেপ্তার করা হয় রিয়া চক্রবর্তীকে। রিয়ার বিরুদ্ধে এনসিবির তরফে যে ধারাগুলি এনডিপিএসের আইনের আওতায় আনা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখ্য ২৭ (এ) ধারা অর্থাৎ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, যা প্রমাণ হলে কমপক্ষে ১০ বছরের সাজা হবে রিয়ার।

মাদককাণ্ডে এনসিবির হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পাশাপাশি, সুশান্ত মামলায় অপর দুই কেন্দ্রীয় সংস্থার এফআইআরেও মূল অভিযুক্ত রিয়া চক্রবর্তী। সিবিআই সুশান্তের মৃত্যু মামলার তদন্ত করছে, অন্যদিকে অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করছে ইডি।