জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬ শিক্ষার্থীর নামে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান সংকট নিরসনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে প্রশাসন এমন ইঙ্গিত দিয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আলোচনা শুরু হয়। আলোচনা এখনও চলছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিনিধি দলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আমির হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. তপন কুমার সাহা, রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দলে অংশ নিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি তৌহিদ হাসান শুভ্র, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসাইন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি ইমরান নাদিম, সাধারণ সম্পাদক নজির আমিন চৌধুরী জয়, ছাত্রফ্রন্ট জাবি সংসদের সভাপতি মাসুক হেলাল অনিক ও সাধারণ সম্পাদক সুস্মিতা মরিয়মসহ প্রায় ১৫ জনের একটি প্রতিনিধি দল।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ফরিদ আহমেদসহ আরও কয়েকজন শিক্ষক নেতা আলোচনায় অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের মধ্যে গত কয়েকদিন যাবৎ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছিল।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮ টায় মামলা প্রত্যাহারসহ চারদফা দাবিতে চতুর্থদিনের মতো প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে বেলা সোয়া ১১ টার দিকে উপাচার্য, রেজিস্ট্রারসহ অন্যান্যরা আলোচনায় বসার আশ্বাস দিলে অবরোধ শিথিল করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে থাকে।
অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বেলা ১১ টা ২০ মিনিটে শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচিতে বসেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস। বিকাল সাড়ে চারটার দিকে তিনি দিনের মতো কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। মামলা প্রত্যহার না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রতিদিনের কর্মঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে কাটাবেন বলে জানিয়েছেন।








