চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ আছে, ঐক্যবদ্ধ থাকবে: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন: জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ আছে, ঐক্যবদ্ধ থাকবে। ঐক্যের প্রশ্নে দলের কোনো সমস্যা হবেনা। কেউ নিজেকে রাজা ঘোষণা করেলই রাজা হয়ে যায় না। রাজা হতে হলে রাজ্য থাকতে হয়, প্রজা থাকতে হয়। তাই কে কী ঘোষণা করেছে তাতে জাতীয় পার্টির কিছু যায় আসে না।

তিনি বলেন: যারা শৃংখলা বিরোধী কার্মকাণ্ডে জড়িত হবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া বিশাল আকাশ থেকে কত তারা ঝড়ে পড়ে তাতে আকাশের কি আসে যায়।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরো বলেন: গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মৃত্যুর আগে সাংগঠনিক নির্দেশে তার অবর্তমানে জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব নির্ধারণ করেছেন। গণমাধ্যম কর্মীদের সামনেই তিনি বলেছেন তার অবর্তমানে আমাকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ঘোষণা করার কথা। আবার পল্লীবন্ধুর মৃত্যুর পরে প্রথম প্রেসিডিয়াম সদস্যদের সভায় উপস্থিত সদস্যরা জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। এছাড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংসদের বিরোধী দলের নেতা নির্বাচনের জন্য ১৫ সংসদ সদস্য তাদের মতামত দিয়েছেন। যার ভিত্তিতেই স্পিকারকে চিঠি দেয়া হয়েছে। পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ এবং স্পিকারকে চিঠি দেয়া মতামতের ভিত্তিতেই করা হয়েছে। এতে গঠনতন্ত্র বা আইনের কোন ব্যাত্যয় ঘটেনি।

বিজ্ঞাপন

গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন: পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা পার্টির মূলধারার সাথেই আছেন। তিনি একটি জরুরী সভায় যোগ দেয়ার কারণে আসতে পারেননি। মসিউর রহমান রাঙ্গা আমাদের সাথেই আছেন।

এর আগে গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বেগম রওশন এরশাদকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন। জিএম কাদেরকে চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে কো-চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি। আগামী ৬ মাসের মধ্যে কাউন্সিল করে চেয়ারম্যান নির্বাচন করার কথা জানান জাপার এই প্রেসিডিয়াম সদস্য।

এর পরিপ্রেক্ষিতে একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর বিরোধীদলীয় নেতা নির্ধারণ নিয়ে বিবাদ দেখা দিয়েছে জাতীয় পার্টিতে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, গোলাম কিবরিয়া টিপু, এ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, সুনীলশুভ রায়, লেঃ জেঃ মাসুদউদ্দিন চেীধুরী, মোস্তাফিজার রহমান মোস্থফা, এস এম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, কাজী মামুনুর রশিদ, আলমগীর সিকদার লোটন, এমরান হোসেন মিয়া, নাজমা আক্তার, উপদেষ্টা মেজর (অবঃ) আশরাফউদ দৌলা, মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, ভাইস চেয়ারম্যান সরদার শাহজাহান, আহসান আদেলুর রহমান, মোস্তাকুর রহমান, মস্তফা আল মাহমুদ, নুরুল ইসলাম তালুকদার,যুগ্ম-মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয়, সুলতান আহমেদ সেলিম, শফিউল্লাহ শফি, আমির উদ্দিন আহম্মেদ ডালু, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য শেখ মাতলুব হোসেন লিয়ন, আবদুল হামিদ ভাষানী, নির্মল দাস, মোঃ হেলাল উদ্দিন, সুলতান মাহমুদ, খোরশেদ আলম খুশু, আনিসুর রহমান খোকন, এম এ রাজ্জাক খান, সুজন দে, মঞ্জুরুল হক, ইফতেকার আহসান হাসান, মিজানুর রহমান মিরু, আলাউদ্দিন মৃধা, এম এ সাত্তার, মিজানুর রহমান, শাহদাৎ কবির চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, নিজামউদ্দিন সরকার, কেন্দ্রীয় নেতা এনাম জয়নাল আবেদিন, নেয়াজ আলী ভূয়া, এ্যাডভোকেট বায়েজীদ, ফজলে এলাহী সোহাগ, ফারুক শেঠ, দীন ইসলাম শেখ, ঝোটন দত্ত, শফিকুল ইসলাম দুলাল, আনোয়ার হোসেন তোতা, জাহাঙ্গীর আলম, নজরুল ইসলাম, মোঃ জামাল উদ্দিন, ইব্রাহীম, আবদুস ছালাম লিটন।

Bellow Post-Green View