চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘ছয় মাসও টিকবে না’ বলা বিয়েটা ২ বছর টিকে গেল!

মডেল-অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার বিয়ের দুই বছর পূর্ণ হলো। তার স্বামী হারুন অর রশিদ অপু পেশায় একটি বেসরকারি বিপণন সংস্থার জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক। বিয়েতে অপু এবং ফারিয়ার দুই পরিবারের পূর্ণ সমর্থন ছিল।

২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে হারুন অর রশিদ অপুর সঙ্গে শবনম ফারিয়ার বন্ধুত্ব হয়। এরপর ফেসবুকে কথা বলতে বলতে তাদের দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন মজবুত হয়। তিন বছর ধরে চলে তাদের বন্ধুত্ব। তারই এক পর্যায়ে দুজনই পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা অনুভব করেন। অপু-ফারিয়ার সম্পর্ক তাদের দুই পরিবার জানলে এতে পূর্ণ সমর্থন দেন।

বিজ্ঞাপন

বিয়ের পর কেমন চলছে শবনম ফারিয়ার সংসার? দুষ্টু-মিষ্টি খুনসুটি আর ভালোবাসায় মেখে আছে ফারিয়া-অপুর সংসার। বিয়ের দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় হালের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী তার ফেসবুকে দাম্পত্য জীবন নিয়ে কিছু কথা উল্লেখ করে লেখেন, ‘৬ মাসও টিকবে না’ বলা বিয়েটা কীভাবে কীভাবে জানি ২ বছর টিকে গেল!

এরপর মজা করে ফারিয়া লেখেন: ‘সব ভুলে যাওয়া, দায়িত্ব থেকে পালানো, জিদ্দি ছেলেটা আজকাল স্বামী হয়ে ওঠার প্রবল চেষ্টা করছে। আর আমার রাগ এবং ধৈর্য্যের পরিমাণ শান্তিনগর থেকে উত্তরার রাস্তার জ্যামের মতো প্রতিদিন বেড়েই যাচ্ছে। আজকাল আমার ইউটিউবের সার্চ স্টোরিতে নাটকের পরিবর্তে রান্নার ভিডিওই বেশি পাওয়া যায়! কীভাবে নতুন বাসা সাজাবো কিংবা কী কী কিনবো সেই তালিকা করতে করতে রাতও মাঝে মাঝে শেষ হয়ে যায়। কী মুভি দেখবো তা ঠিক করতে করতে ঘুম চলে আসে। কোথায় খেতে যাবো ঠিক করতে করতে সব রেস্টুরেন্ট বন্ধ হওয়ার সময় এসে পড়ে। কী পরে বের হবো ঠিক করতে করতে মুভির সময় পর হয়ে যায়। দাওয়াতে কী নিয়ে যাবো ঠিক করতে করতে দাওয়াতেরও সময় পার হয়ে যায়।

আমরা এমনই। আমি সব প্ল্যান করে করতে চাই আর সে বলে ‘go with the flow’ (ঝড়ের মতো  যাও)। আমি মালদ্বীপের সমুদ্রের পাড়ে নিরিবিলি বসে থাকতে চাই। আর সে ব্যাংকক পার্টি করতে যেতে চায়। আমি যখন শুক্রবারে বিকেলে রিক্সায় ঘুরতে চাই আর সে বিছানায় শুয়ে পাবজি খেলায় মনোনিবেশ করতে চায়। আমরা ভিন্ন, কিন্তু দুজন মিলে ‘এক’। অনেক অভিমান, অনেক খুনসুটি। শুধুমাত্র ঝগড়া এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বহু বহু দিন কথা না বলে থাকা। তারপরেও ‘আমার এই পথ চলাতেই আনন্দ’। শুভ বিবাহ বার্ষিকি প্রিয় স্বামী। আমাকে সহ্য করার ধন্য তোমাকে ধন্যবাদ।’

বিজ্ঞাপন